গদ্য কবিতায় তাপস কুমার দে

দীর্ঘ আবেগের আলো দৃষ্টি
চুমুর উষ্ণতা অঝোর কান্না ভরা আনন্দ দিয়ে ঢাকা ছিল। ঠোঁট ভরা সুখ গলে বুকের বা’পাশে জমতো নক্ষত্র। যা থেকে তৈরি হতো আলো মুখ, আলো চোখ, আলোক বর্ষের মত দীর্ঘ আবেগের দৃষ্টি। যেন মনের ভেতর সবসময় একটি নদী হিমেল বাতাস দিয়ে যাচ্ছে। কৌতুহলি মন কখনো জানতে চাইছে না নদীটির উৎপত্তি কোথা থেকে? কোথা থেকে আসছে এতো হিমেল হাওয়া? যা অতীন্দ্রিয় গ্রন্থিগুলোকে সচল রাখছে। শিরাগুলিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়াচ্ছে। নেমে আসছে এক একটি স্বচ্ছ দিন। যাকে আয়না বিদরা শুভলক্ষণ ব’লে অভিভূত হয়েছে। কতো ঝড়-ঝাপটা সইতে সইতে তবেই এমন শুভ সময় হস্তগত করতে হতো। বিলিয়ে দিতে হতো চেতনা নির্ঘুম অজস্র রাতের মৌন পানীয়। জানি, রাত রূপসী উজ্জ্বল উদ্বেলিত নারীর রূপ। নিয়ন বাতির আলোয় ঠাসা ধূপগন্ধের সাথে কামনার কিছু ঝড় অলীক সরণী পার হলে চড়ে বসে ভোঁ ভোঁ বেলি ফুলের ঘ্রাণ। হয়তো জন্ম নিচ্ছে বসন্তের হাওয়া।