চিরকুট প্রসঙ্গ ভালোবাসা
শিউলি
ঠিক হয়েছে থেরাপি [যাওয়া আশা স্রোতে ভাসা] শিগগির সাম্য চাই। চাই বাঁচার নতুন স্বাদ।
শিমুল
লেগে আছে রং। আঁশটে গন্ধ। কালো গম্বুজ। মান অভিমান সব অবরোধ। শখ স্বাদ আহ্লাদ ছুঁয়ে সাদাবেলা। চুঁয়ে চুঁয়ে পড়ে কৌশিক ভা-বাসা।
শ্যাওলা ও চুলবুলি
হয়তো মুছে যাবে প্রীতির আকাশ থেকে। অজুহাতে দাস থাকবে না। বেঁচে থাকা অহংকারে বুঁদ হয়ে বিদ্রুপ হাসি হাসবে না।
খইঢেরা
ভয় কেন? বড্ড বাড়াবাড়ি! জীবন, বেঁচে থাকা, ইপ্সিতা, স্বদেশ-দা, প্রিয়াঙ্কা, মাণ্টি ও সামাজ।
ছাতিমছায়া
সীমারেখার অকেজো জায়গাটুকু আমি। চোখে সোনালী স্বপ্ন। বুকে নীরব হতাশা। চাওয়া ও না পাওয়ার যন্ত্রণা। কবে লাল চিঠি ধরিয়ে অবসর জরিপ করবে কে জানে!
তালশাঁস
কোন নথি নেই। বার্ধক্য-ভাতা আবদার নিয়ে মাথা ব্যাথার কারণ হব না। অল্প কথায়, সল্প সময়ের মুনাফা পলিসি (নাম-ভা’বাসা)
কানাডিঞা
খুবলে খায়। জবরাকুড়, পুয়ালগাদা, আতাতল ও স্যাঁতস্যাঁতে কোণে, সরল প্রোটিন, সহজ পাচ্য, নরম তুলতুলে, শেকড় বিহীন মিথো মাশরুম।
একঘেয়েমি
ঘুরে আসি দূরে কোথাও।
টুসুমেলা
নদী বালি জল হুল্লোড়
কেউ কথা রাখেনি
এবং তুমি আমি ও সে। কাঁকুরে পথ। শশাফালি, আলপিন ও বাতাসা কেস রিওপেন হল। ভা’বাসার দগদগে ঘা, যা নাকি ঈশ্বরের রোগ।
প্রতিশ্রুতি
তাজমহল, স্বর্ণকুটির, রঙ্গশালা, বিলাস যাপন বাতিল। নাম মাত্র বেঁচে থাকা, স্বাধীনতা, প্রচুর খুনসুঁটি। না আছে গাওয়া ঘি, না বাদাম তেল। ঝিনুক চুন, ভয়েল-কাপড়, ছাঁচিপান, মৌরি নিম দাঁতন।
জনাব
পুতুল নেবে পুতুল? বোঁ বোঁ ঘুরছে মাথা। চলতে চলতে বললে কথা…..