কবিতা সিরিজে তুলসী কর্মকার

দিগন্তরেখা
কোন এক দৃষ্টিকোণে সাময়িক মন আর একটি মনে মিশে
ভক্তির তারতম্যে ঈশ্বর ও মানুষের আপাত মিলন হয়
আলো আর অন্ধকারের সীমারেখা গভীরতার সাথে ব্যস্তানুপাতিক
যত উঁচুতে উঠা যায় দিগন্ত বেড়ে চলে
যত কাছে যাওয়া হয় গতিকে পরাজিত করে দিগন্ত সরে যায়
আসলে ভক্তি সুখ স্বাচ্ছন্দ্য প্রেম দুঃখ অন্তহীন সীমা বা ভার্চুয়াল প্লট
আমির সংকোচন প্রসারণে অসীম থেকে সীমা বা দিগন্তরেখা নির্ধারিত হয়
লিমিট
ঝড় বয় পাতা খসে পড়ে
বেলুন ফুলে বড় হয় কখনও ফেটে যায়
সাপ চোট মারতে আসে
মাটির দেওয়াল হেল ধরে
প্রচণ্ড ঠাণ্ডা জায়গাতেও কাপড় শুকিয়ে যায়
কতটা চরম প্রেমে দুটি শরীর মিলিত হয়?
সবই মাত্রা দ্বারা পরিবেষ্টিত
লিমিট কার ইশারার পুতুল!
ভাবতে ভাবতে পার হয় একটি জীবন…..
স্থায়ী
প্রেম, নদীপথ, পর্বত, সমুদ্র, মরুভূমি, সমতলের চরিত্র ইত্যাদি বর্ণখচিত পরিবর্তনশীল লেখচিত্র হয়ে উঠে
চিরস্থায়ী বর্ণচিত্রটি উদ্ভিদের আত্মকথা
যার জীবিত অথবা মৃত অস্তিত্ব মানুষের যাপনকে অন্তহীন নির্বাক ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখে…..
প্রেক্ষাপট
ইতিহাস বলছি
ধর্ম্ম, প্রেম, সংবিধান, সাম্রাজ্য পতন হচ্ছে
কষ্টের প্রতিটি রাত লেখা থাকছে স্মৃতির পাতায়
সোনার খাঁচা, তুমি, ভালোবাসা, মেঘ ছায়া বিকেল, যৌনতা, নষ্টামি দুপুর, গোয়ালঘর, আমতলা, বাদামী বসন্ত, প্রেমপত্র, অপেক্ষার প্রহর, রাজনীতি সবই থাকছে
থাকছে না ভবিষ্যৎ
বর্তমান পরিস্থিতি পালটেছে
ক্ষমতা আর অর্থ বল মুঘল সাম্রাজ্যের পতন রুখতে পারবে না