স্বর্ণলতার মত লেগে আছি
তার দেহে।
আঙুলের দূরত্বে দুজনের বাস।
সে রাত হয়ে পাশে বসে
কপালে চাঁদ পড়িয়ে দেই
জোসনায় ভরে যায় সমগ্র ঘর
নতুন পানির মাছ হয়ে
সে জোসনায় সাঁতরাই আমি
তার কর্ণ লতিকা বাতাসের হিন্দোলে দোলে
দৃষ্টির বরশিতে গেঁথে রাখি
স্বযতনে।
কামনার বিছানায় রোদের মত হাসি ছড়িয়ে দিলে
আমি নক্ষত্রের নূপুর পড়িয়ে দেই
তবু অভিমান অভিযোগের মেঘে
চোখের আকাশ বৃষ্টি ঝরালে
আমি তার কপালে ঠোঁটের ওম ঢেলে বলি
বল কবিতা হল কি না তোমার?
জীবনের রঙ
একটা সবুজ পান হও
ইচ্ছার জর্দা কিংবা
আকাঙ্ক্ষার খয়ের
সৌন্দর্যের শুভ্র চুন লাগিয়ে
রাঙ্গিয়ে নাও জীবনের দুই ঠোঁট।
দুঃখ কষ্টের সাগরে ভাসাও জীবনের পানসি
জুড়ে দাও মাঝির প্রজ্ঞা
পরিকল্পিত বাতাসে উড়াও পাল
কৌশলের বৈঠা শক্ত হাতে ধর
সমস্ত ঢেউ মাড়িয়ে
বন্দরে পৌছে যাবে।
প্রাপ্তির ছায়ায় শুকরিয়ার জায়নামাজে
অপরাহ্নে তার নামে নত হও সেজদায়
যে তোমাকে প্রচন্ড ঝড়ে
শিল কড়ইর ধৈর্য শিখিয়ে দিলেন।
আর পড় তার নামে
” ইকরা বিসমি রাব্বি কাল্লাজি খালাক।