ঘর
একজন পেরিয়ে যায় টিটাগড়, শ্যামনগর
হাতব্যাগে উঁকি মারে রাষ্ট্র
একজনের হারিয়েছে ডানা
বিষণ্ণ আকাশ ভাতে মেখে চলে দু’বেলা
পড়শির ঠোঁটের আলগা সেলাই
অপবাদ সাঁতরে বাড়ি পৌঁছনো ন’টা পঁচিশে
ডালভাতে আক্ষেপ বাড়ে, উনুনের আঁচে মন কষাকষি
জোনাকির পোশাক খুলে ফেলে আলনায়
উলঙ্গ রাত গড়াগড়ি খায় একপ্রহর
বাগানবিলাসী মন আকুপাকু করে পাশফিরে
কথা বাকি আছে তবু তাগিদ নেই
কারা যেন গান ধরেছে গলির মোড়ে – ঘর ভাসানোর গান
স্বরলিপি ভুলে গেলে ক্ষতি নেই আজ
ডুবে গেলে ক্ষতি নেই এই শহরতলি
পাশাপাশি দুটো চাঁদ নীরব
নীরবতার দাগ এসে লাগে দেওয়ালের ছবিতে – মুখোশের ছবি, হাসির মুখোশ, মুখোশের হাসি।
অঙ্ক কষতে কষতে আমরা ‘ঘ’ আর ‘র’-এর মাত্রা ভুলে যাই…