যে ভালবেসেছে সেই তো ভালবাসাকে করে তুলেছে জলজ নিশুতির অব্যক্ত রক্তকরবী গাঁথা,
তাঁর কাছে প্রতিটি জীবন অমূল্য প্রতিটি মুহূর্ত নিরাপদ,
পাওয়া না পাওয়ার রজনীগন্ধা মালায় যারা হলো মুগ্ধ স্রোতের দিলদরিয়া আকাশ,
তারা আবার দীপশিখার সুরভী হলো কবে…???
ভাঙা একতারায় সুরই বা বাঁধল কবে..??
তারা জানেনা অযাচিত ভাঙনের বিবিধ রক্তপ্রপাত।।
তোমাকে অবিকল তোমার মতন আঁকতে গিয়ে দেখি,
আমি বহু জন্মের থিতিয়ে যাওয়া অভিশপ্ত সোনালী রোদ,
যে তোমার সুরুচি অংশের ওই সরলা গোধূলীর মেঘাচ্ছন্ন সাড়াহীন নুইয়ে পড়া মাটিতে কাঙাল ঠোঁটের স্বরহীন পদাতিক,
হৃদয়ের তাৎপর্য ছোট্ট ছোট্ট পথের আনাচে কানাচে আছে লিপিবদ্ধ,
কার এত সময় আছে সেই নিরাশ্রয় অনামী পথগুলোকে মোহনার অস্তবুকে মিলিয়ে দেবে,,,,
তবু তোমার কাছে এসে আমি,
আমি হতে পারিনা..!!
এর থেকে বড় দূরত্ব আর যে কিছুই নেই…
তুমি অজান্তে হলে দীন সুখে দীন,
আমি রয়ে গেলাম দিন শেষের অকারণ আলাদীন,
কাছে আসার এই নিবিড় প্রয়াস মধ্যবিত্ত দুরত্বগুলো কে আরও সচেষ্ট করে আরও সংযত করে আরও আরও বেশি সহাস্য নিরালায় আপন স্বরলিপিতে নিহিত করে রাখে ।।।।।।