দিব্যি কাব্যিতে শ্রী সদ্যোজাত

পথ তো আছে হাজার
পথ চলাটা যে আর নেই…

নদীটা যখন শান্ত হয়ে যায় তখন তোমাকে পাইনা !! 
ছোট্ট ছোট্ট ডিঙিতে তৈরী এ নদী যে বড়ই শান্ত, 
আনমনা রোদেভেজা মনটাকে ভাবছি এবার কোনো এক অনামী অরণ্য দিয়ে বাঁধবো !!
শুল্ক গুনতে গুনতে এইতো সবের শুল্কটাই পরে থাকলো বাকী।।

যখন নদীটা শান্ত হয়ে যায় তখন তোমাকেই খুঁজি,
একটা ঠিকঠাক মোহনা খুঁজে বের করতেই হবে ;
আবারও শুরু যদি হয়……পথচলা।।

যতটা পথ পেরোতে হবে তার থেকে অনেক বেশী কিছু প্রতিশ্রুতিকে ভেঙেছি নিজেরই হাতে !!
যন্ত্রণাগুলো শুধুই কী বুকে হয়?
ঘরের জানালাটাকে খোলার শক্তি নেই যে !!
বাসি বিছানাটা আজও বাসিই পড়ে  রইলো !!
একটা ঠিকঠাক মোহনা খুঁজে বের করতেই হবে যেভাবেই হোক।।

কী জানি কিছু নীরবতা হয়তো নাভির ভিতরে ভিতরে অস্থির বহু প্রাচীর গড়েই চলেছে,
নিজের সাথে নিজের বিরোধ…. 
নিজের সাথে নিজের প্রেম বিনিময়…
নিজের সাথে নিজের সুমিষ্ট বোঝাপড়া…
কাকে বলি….কেনইবা বলি…

ভালো রাখার চাবিকাঠি তোমার আঁচলে বাঁধা আছে…. 
আমার খুব খিদে পেয়েছে…
আমায় তুমি খেতে দাও..!!!
 
পথ তো আছেহাজার…..
পথ চলাটা যে আর নেই…..!!

রাত গভীর হলেই কী রাত মন্দ হয় !!
যন্ত্রণারা কী শুধু বুকেই জমাট বাঁধে !! শুধুই কী বুকে এসে ভীড় করে !!
একটা ঠিকঠাক মোহনা খুঁজে বের করতেই হবে বেনামী জীবনটা জুড়ে।।

কথার কথা তো অনেক হলো ;কথা রাখে কে !?
ছোট্ট ছোট্ট টিলা কতো রকম ফেরে সাজাবো..??
কত রাত এমনও কেটেছে ওপরের আকাশটাকে ওপরে থাকতেই দিইনি ! 
সে রাতটাও তো মিথ্যে নয় !!
নির্মম কিছু সত্যি আরো নির্মম হয়ে ওঠে ; আমার তৈরী বেড়াজালটা প্রায় ভঙ্গুর !!

  পথ তো আছে হাজার…..
পথ চলাটা যে আর নেই…..!!

যাকে আপন ভাবি সে আমার ঘরের দরজাটা কোনোদিনই খুলবে না !!
যে আমার জন্মজন্মান্তর বিসর্জিতা সে উপবাসী হয়ে আমার চৌকাঠে স্বস্তিক আঁকে।।

গঙ্গা জলে উপচানো এমন আকাশ ভোর কেউ দেখেছে কখনো?
যেখানে কাকভোরের রবি অস্তরাগের চাঁদ একই সাথে নিবিড়ে তলিয়ে যায়  !!

আমি ; আমার অবকাশ ; আর আমার একাকিত্ব !! তুমি আছো কোথায়?
ক্লান্তিহীন সন্ধানী দুটো চোখ বহুক্রোশ হাঁটে…

আমি তো নামেই সব্যসাচী সুরহীন মোহন স্বরলিপি….
তুমি তো নির্বিষ প্রেমের বহ্নিশিখা ভালবেসে দাবদাহের গার্গী,

পথতো আছে হাজার পথ চলাটা যে আর নেই       

যদি পারো আবারো সৃষ্টি করো আমাকে !!
তোমার ঐ লাজভাঙা আতুরঘরে,
তোমার ঐ নরম নরম দুটি হাতের ছোঁয়া আর তোমার বন পলাশীর পদাবলী।।

যদি পারো আমার বুকের মাঝের তুলসী থানে তোমার মাস শেষের রক্তজবাটা ঢেলে দিও ; 
সে ভূস্বর্গ যদি অনেক অনেক নির্ঘন্ট হয়. হোক।।

তবুর পরে তবু দিয়ে সাজানো ভীষণ নৈঃশব্দের মালা…..
তোমার আটপৌরে বেশ উঠোন জুড়ে সন্ধে প্রদীপ না দিলেও…. 
রোজের অস্তমিত গোধূলিরা হাসতে শিখে গেছে…
কিছু মা বাপ্ মরা সত্যির মধ্যে হয়তো একটা সত্যি আজও ভালবেসে উত্তরীয়টা পরেনি..

পথ তো আছে হাজার…..
পথ চলাটা যে আর নেই…

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।