সাতেপাঁচে আজ সুদীপ্তা

‘হিয়ার মাঝে’ লুকিয়ে থাকে যে ‘দিবস রজনী’ তাকে খুঁজতে দূরদর্শীতার প্রয়োজন পড়ে বুঝি?

‘হৃদি মাঝারে’র পরতে পরতে সাজানো থাকে সে প্রিয় ‘হাতখানি’,
সে বেশ ‘জানি’…

রবি ঠাকুরের মর‍্যাল সাপোর্ট থাকলে ‘ছায়া ঘনানো বনে’ও নাকছাবি খুঁজে পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকে।

সব অতি রঞ্জিত শোক কোপাইয়ের তীর ছুঁয়ে ভল্গা গামী ছিল তারাও ‘কার চোখের চাওয়ায়,হাওয়ায় ‘ বিলীন।।

আয়নার ভাঙা কাঁচে প্রিয় মুখ ‘মুকুট শোভার ধন’ হয়ে যায় ‘ফুটপাথ বদল’ হওয়ার প্রহরে, শক্তির আশ্বাসে।।

অভিমানের অভিঘাত ছাপিয়ে ‘চাকা’র মতো ফিরে আসে রাত গভীরের সুখ পরশেরা, এক শীতকাল থেকে আর এক শীতার্ত প্রান্তরে, বিনয়ের প্রশ্রয়ে ।।

জীবনের প্রতি অধ্যায়েই ‘কেন মেঘ আসে হৃদয় আকাশে’র স্তব্ধ বিস্ময় রেশ রেখে যায় অপূর্ব ভ্রান্তির মতো অনশ্বর বিরহের আঁচলে, সুনীলের আবেদনে…

মধ্য যাম যখন উষ্ণতা ছড়ায় সেই শৃঙ্খলিত অন্ধকারে অপার আলো ছড়ানো ‘দুটি তারা’র মতো চোখ ‘নিশিথে তন্দ্রাহারা’, কাজির ভার্চুয়াল নির্দেশে?

দ্বিখন্ডিত সময় আলো হয়ে মিশে থাকে ডুবন্ত চাঁদের চোখে,
বন জোছনার আহ্বানে অঙ্গীকার নতজানু হয় “আসক্ত আশ্রয়ে”র কাছে,
আর ” গোপন সংলাপ গুলি” আত্মমগ্নতায় “মন্ত্রের আকর” হয়ে ওঠে, ঋজু দক্ষতায়…

হে প্রেম,
হে প্রিয় প্রেম,
তুমি যতবার এসেছো ততবারই থেকেছো “অপরিবর্তিত”।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।