বন্ধুরা কেমন আছো? পুজো কাটিয়ে হালকা শিতের আনেজ নিয়ে চলে এসেছি সাহিত্য কাঞ্চনের এই কন্যের সাজ ধারাবাহিক নিয়ে। সামনেই দীপাবলি এবং শীতটাও পড়ছে তাই আজ আমরা স্টাইল সেগমেন্টে না গিয়ে কথা বলবো পড়তি শীতের আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের যত্ন কীভাবে করবো।
১.ত্বকের যত্ন নিতে প্রত্যেক দিন ভালো করে ত্বক পরিস্কার করে টোনার লাগান। তারপর ময়স্চারাইসার লাগিয়ে সানস্ক্রিন লাগান।
৩.কাঁচা ট্যমেটো বেশ ভালো করে মুখে ঘসে নিয়ে হালকা গরম জলে তুলো ভিজিয়ে মুছে নিলে ত্বকের কালচে ভাব নষ্ট হয়।
৪. অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকের জন্য অলিভ অয়েল,নারকেল তেল ও স্বল্প পরিমাণে গ্লিসারিন ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে স্নানের আগে মাখলে আদ্রতা বজায় থাকে।
৫. শীতের উত্তরে হাওয়ায় ত্বকের আদ্রতা হ্রাস পায়। আদ্রতা বজায় রাখতে সাবান যতটা কম ব্যাবহার করা যায় ততই ত্বকের জন্য উপকারী। মধু সমৃদ্ধ সাওয়ার জেল ব্যাবহার করা যেতে পারে।
ত্বকের পাশাপাশি চুলেও রুক্ষতা আসে শীতের ঋতুতে। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে কিছু ঘরোয়া বিষয়বস্তু। যেরকম –
১. রাতে হালকা গরম তেল মাথায় লাগিয়ে সকালে চুল অনুযায়ী শ্যাম্পু করে নিন এবং কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না।
২.সপ্তাহে একদিন চুলে পাতিলেবুর রস লাগালে খুসকির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
৩. মাসে দুদিন টকদই ভালো করে ফেঁটিয়ে নিয়ে চুলে গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগিয়ে নিন এবং আধ ঘন্টা রেখে ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন। চুলের রুক্ষতা এতে দূর হবে।
৪. সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিনের বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার না করা ই ভালো। এতে চুলের আদ্রতা বজায় থাকে।
৫. চুলে অতিরিক্ত পরিমানে রোদের তাপ বা গরম জল ব্যবহার না করাই ভালো। এতে চুলের আদ্রতা নষ্ট হয়ে চুলের ডগা ভেঙে যায়।
এই ছিলো আজকের সাজকথা। শিতের মরশুমে খুব ভালো থাকুন তবে ঘরে থাকুন। বাইরে এখন বেশি না বেড়োনোই ভালো। প্রয়োজনে বাইরে গেলে মাস্ক স্যানিটাইজার নিতে ভুলবেন না