সৌরভ মুখার্জিকে আমি চিনতাম। জানতাম কিছুটা। সম্পর্ক বলতে ৫ বছরে গোটা বিশেক ফোনাফোনি। আর তা পুরোটাই সংগঠক মুখার্জির সঙ্গে।
বড্ড কাঠ কাঠ লিখছি তাই না! আসলে কখনও কখনও লিখতে ইচ্ছা করে না। বাধ্য হয়ে লিখতে হয়। এও তাই। লোকটার চলে যাওয়া নিয়ে লেখার সময় আমি বিশ্বাস করি না এখনও এসেছে। কী করে লিখবো যা লেখার জন্য প্রস্তুত আমি নই
রাজনৈতিক মতামত আমি ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্ববহ বলে মনে করি না। তার কর্ম তাকে চেনায়, মনে রাখায়। সে সুকর্ম বা কুকর্ম যাই হোক। কর্মী সৌরভ সুরভিত তার কর্মে বেশিরভাগ মানুষের কাছে। তাই তার চলে যাওয়া অবিচার। সংগঠিত আমি কাউকে কোনোদিন অনুকূলে মনে করিনি। সংগঠিত সৌরভ মুখার্জি আমার অনুকূলে থেকেছেন নীরবে। সরবে করার উপায় তার ছিলো না। আমারও উপায় নেই আজ নীরবতার পথ বাছা ছাড়া।
যেখানে থাকো ভালো থাকো। কর্মানুযায়ী ফল লাভ করো। ঈশ্বর কৃপাময়।