কবিতায় শান্তনু প্রধান

চাঁদের কলঙ্কে তর্জনী ভেজাই
ভুলে যাই পাড়ার উৎসব
কিংবা পড়শী প্রেমিকের সবুজ ঘ্রাণ
খানিক দূরে আমার এই গ্রাম
জলে ডোবা শহর যদি বাধ্য করে
শিখে ফেলি বুর্জখালিফা
তবে কোন আঁধারে পাড়াতুতো নয়
আমারই ছেলে মেয়ে
প্রোফাইলে কি দিতে পারবে
নিজহাতে ধরে আনা স্বর্ণ মৃগয়া
হায় রব্বা
তবে কোন চাঁদের সুড়ঙ্গে
লুন্ঠিত নবজাতকের ভ্রুণ
ছবি নয়
চাঁদের কলঙ্ককে তর্জনী ভেজাই
ছায়ার পাতারা মেঘেদের গাঁয়ে এঁকে রাখে শ্রাবণের সংসার
ভুলে যাই
ভুলে যেতে বাধ্য হই পিতৃত্বের পরমাণু
হয়তো তাই
হাত বৃদ্ধ বাবাকে শেখাই
শিল্প ও সেলফির রোমান্টিকতা
শিখলো কিনা জানি না
ভোর বেলা দেখি
বাগানে ফুটন্ত বৃক্ষে ফুটেছে লাল গোলাপ
সেইসব বৃক্ষমূল ঢেকে রাখা কনডম
কাঁধে শুধু কাঁদে
হে ঈশ্বর কোথায় রাখি
হারানো বিকেলের অনু।