কবিতায় শান্তনু প্রধান

ধ্বংসকালীন বসন্ত দিন
আমার মত সকাল খুঁজি প্রতিদিন
খুঁজতে খুঁজতে যদি কোন একদিন নিভে যায় পৃথিবীর সমস্ত রাত
হয়তো সেদিন ফাগুন বাঁশির ধ্বনি ব্যঞ্জনা
পার হয়ে যাবে আমাদের যাবতীয় কার্যকলাপের সম্ভ্রম
কিংবা পারাগাত চিহ্নের ইচ্ছুক অনিচ্ছুক ভবিষ্যৎ
সেই সব তরঙ্গে ফুটবে কি তখন তোমার কৃষ্ণচূড়া আর আমার
পাহাড়ি লতাপাতায় মিশে থাকা ছদ্দবেশী আবির ঢেকে দেবে ইন্দ্রের সভা
প্রবাহিত সত্যের পিপাসা পরিবর্তিত হয়ে যায়
সচিত্র আলোয় ভেসে ওঠে পূর্বপুরুষের ব্যঞ্জনধ্বনি
অধিকতর সেই ধ্বনি যখন নিজস্ব সিগন্যাল টোপকে
অকথিত পলাশের ডালে পুনর্জন্ম প্রত্যাশা করে
কেন সেই আত্মননির্মাণের পূর্বে বসন্ত উৎসব অনুল্লেখ্য হবে না
এখন আমি চক্রাকারে শিমুলের পাশে হলুদ আগুন সাজাই
তুমি ঘুমাও
সমস্ত রাত্রি নিভে যাওয়ার পর একমাত্র শুধু তোমাকেই
অতিচেতনার প্রলয় সংলাপে জাগাবো।