কবিতায় শান্তনু প্রধান

ধ্রুপদী বৃক্ষের পরবর্তী জীবন
পথে পথে মুখ নামিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ধ্রুপদী বৃক্ষ গুলি
ভেঙে যাচ্ছে দেখে সভ্যতার ঘাড়ে চেপে বসা ডুমো মাছি
আরো ঘন অন্ধকার করে ছুটে আসছে আমাদের কীর্তন প্রাঙ্গণে
ঘর্মাক্ত শাড়ী থেকে নেমে যাচ্ছে উৎসুক জোঁক জনতার ভিড়ে
মুখরিত সমীকরণ হাওয়াই চপ্পলের নিচ থেকে
গড়িয়ে যাচ্ছে প্রাগৈতিহাসিক স্রোতে
এই কি তবে আমাদের সম্মিলিত লজ্জা নাকি জাতীয়তাবোধ
মাটি ও মানুষ কিংবা ডিজিটাল ছায়ার ব্যবহার
জানি না বলে হয়তো তাই
ছাদের সিঁড়ি বেয়ে ক্যাম্বিস বলের মতো
ড্রপ খেতে খেতে নেমে আসছে ভবিষ্যতের আগুন
কি বলবেন এখন কি তবে মুখাগ্নি করে ফেলা যেতে পারে
কিন্তু কাদের
সমস্ত জলে কাদা তুলে হাতের তালুতে উঠে এসেছে যে নীলপদ্ম
হা ঈশ্বর সেই মালা তোমাকে কিভাবে পরাই
কোন পরিবর্তন চাইতে গিয়ে এই জন্মে মেতে উঠেছে অনাহার যাপন
আমাদের কীর্তন প্রাঙ্গণ থেকে নয়
নব জনো জোয়ার থেকে উড়ে বেড়ানো বাধ্যতো ক্যানভাস
বড় জোর ভূমি শূন্য করে দিতে পারে
এসো আগুন পুড়ে যাই তবে
শুদ্ধ করো বিবেক ও চেতনার ধারাপাত
সমস্ত ডুমো মাছি উড়ে যাক ভিন্ন গ্রহে।