সাতে পাঁচে কবিতায় কুণাল রায়

পেশায় কলকাতার জর্জ গ্রুপ অফ কলেজেশের সহ অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ। দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছি। বিভিন্ন ইংরেজি পত্রপত্রিকা ছাড়া, ওয়েব পোর্টালেও লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বিদেশের একাদিক স্থান থেকেও লেখা প্রকাশিত হয়েছে। রামকৃষ্ণ ইনস্টিটিউট অফ কালচারের ইন্দোলজি বিভাগ থেকে পুরস্কার প্রাপ্ত। ইতিহাস, পুরাণ, কবিতা, সমাজ বিদ্যা ইত্যাদি বিষয় আগ্রহ আছে। অনুবাদক হিসেবেও স্বীকৃত। এর সাথে আমার এক কপি রঙিন ছবি পাঠালাম।

ফিরে দেখা

পুরনো বছরকে পেছনে ফেলে,
যখন জানালাম স্বাগত নতুনকে
ছিলাম এক অজ্ঞতার অন্ধকারে,
সর্বগ্রাসী হয়ে উঠেছিল সে,
তিলে তিলে রাহুর ন্যায়ে
গ্রাস করল মনুষ্য অস্তিত্ব!
নাম তার করোনা,
অজানা এক কীট,
কি বীভৎস তার বহিঃপ্রকাশ,
আকাশে বাতাসে তারই অট্টহাসি!
নিস্তব্ধ চারিদিক!
বন্দিদশায়ে রূপান্তরিত হল,
আমাদের কায়া!
মৃত্যুর অবিরাম মিছিল,
নিশ্চিন্ন করল এই পৃথিবীকে!
কেড়ে নিল মুখের আহার,
এক মুঠ অন্নের জন্য-
পরে গেল হাহাকার!
বিদীর্ণ করল সকল চিত্ত,
ছিন্ন করল সকল অনুভূতি,
সকল শক্তি!
অভিশপ্ত বসুন্ধরা,
হারাল তাঁর মাধুর্য!
গ্লানি,
যন্ত্রণা,
তবুও বিদ্যমান!
শান্তি আজ ওপারের ধামে,
এপারে শুধু সংগ্রাম,
এক কন্টকময় পথ,
নেই যেখানে গন্তব্য,
নেই যেখানে বিশ্রাম!
রক্তস্নাত এই জগতে,
চলছে সুরক্ষা প্রক্রিয়া!
যা মিথ্যা,
যা প্রহসন,
যা অলীক!
সরস্বতী আজ গভীর নিদ্রায়ে আচ্ছন্ন,
এরই মাঝে মহাজাগতিক বহিঃপ্রকাশ,
গুরু শনির মহাযোগ,
নিমন্ত্রণ জানাবে-
সৌভাগ্যের চাবিকাঠি,
না দুর্ভাগ্যের কালোছায়া-
মহাকালের গর্ভে আবৃত!
পতন-
ধ্বংস-
উল্লাস:
আজও জাগায় এক অনুপ্রেরণা,
প্রভু যীশু,
বর্ষবরণের মাঝে,
খুঁজি এক চিলতে রোদ্দুর,
মুছে দেবে যে তিমির অন্ধকার।
নতুন সূর্য,
নতুন কিরণ,
বর্ষিত করুক আশিষ,
এক অশেষ কৃপা,
এক একমাত্র অভিলাষ!!
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!