গারো পাহাড়ের গদ্যে ড. এস এম শাহনূর (পর্ব-১২)

দানবীর
শিক্ষানুরাগী মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য: শিক্ষিত জাতি গঠনের জন্য তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে সর্বমোট ৩৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মক্তব প্রতিষ্ঠা করেন। মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থরাজি, পত্র-পত্রিকা ও পান্ডুলিপিতে সমৃদ্ধ কুমিল্লা রামমালা লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করে তিনি বিদ্যানুরাগের এক অনন্যসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। হয়ে উঠেন জীবন্ত কিংবদন্তি সত্যিকারের এক শিক্ষানুরাগী।
➤দানবীর মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য:
তিনি এতটাই দানশীল ছিলেন যে, দান সম্পর্কে তিনি নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন করেন।গোপনে দান করা ছিল তাঁর নীতিগত কাজ।নিজেকে প্রচার করা তিনি আত্মহত্যার সামিল বলে বিশ্বাস করতেন।তিনি বা হাত দিয়ে কি দান করেছেন তা ওনার নিজের ডান হাত ও জানতে পারতো না। বিপুল অর্থ খরচ করে তিনি রাস্তা -ঘাট, মন্দির, সেতু, ধর্মশালা, টোল প্রতিষ্ঠা করেছেন বিটঘরে,কুমিল্লা, কলকাতা ও কাশিতে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে ছিলেন। কত দরিদ্র ছাত্র – ছাত্রীদের ,কন্যাদায়গ্রন্থ পিতা, অসুস্থ মানুষ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , সংস্থা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে তিনি মানুষের প্রচুর পরিমাণে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া কলেজ, অভয় আশ্রম, ত্রিপুরার ব্রাহ্ম ধর্মালম্বীদের হিতৈষী পত্রিকার মুদ্রিত সংস্থা সিংহ প্রেস তাঁর তাৎক্ষণিক সহযোগিতায় সমৃদ্ধ হয়েছেন।