T3 || কালির আঁচড় পাতা ভরে, কালী মেয়ে এলো ঘরে || লিখেছেন শর্মিষ্ঠা মিত্র পাল চৌধুরী

হিমেল হেমন্ত
মা দুর্গার বিসর্জনে ভারাক্রান্ত মন;
ধূসর আকাশ, হিমেল বাতাস সঙ্গী সারাক্ষণ।
ভোরের আকাশে মুক্ত ঝরে শুভ্রসমুজ্জ্বল!
শিশির সিক্ত ঘাসে দেখি মায়ের মুখের আদল
জীবন খাতার প্রতি পাতায় ঝরা পাতার গান,
দুমড়ানো পাতা সোজা করার মান অভিমান।
ঝলমলে সেই দিনগুলো সব ধোঁয়াশার চাদরে!
বিবর্ণ রোদে শালিকটা উড়ে যায় বহুদূরে।
দক্ষিণায়ন যাত্রা পথে চলে আসে ‘দীপাবলি’
দুঃখটাকে সরিয়ে রেখে আতশবাজিতে ভুলি।
শূন্য ঘরে মায়ের অভাব আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে;
আকাশ প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখে কথা বলা চলে
অন্ধকারের উৎস হতে সর্ব আঘাতকারি;
আলোর ভিক্ষা তাদের জন্য এই প্রার্থনা করি।
গর্ভবতী হৈমন্তী দেয় শ্রেষ্ঠ ভূ-সম্পদ ;
সবুজ ধান এই হিমে আজ সোনালীর কলরব
ঘরে ঘরে চলে নবান্ন আর খেজুর রসের গান
তার পরশে পরিণত হোক সবার মনপ্রাণ।
প্রকৃতি এখন আত্মমগ্ন, ধ্যানেতে নিমগ্ন।
ফ্যাকাসে জ্যোৎস্না ধুয়ে দেয় যত মনের কলঙ্ক।
ভাতৃদ্বিতীয়ার পুণ্য প্রভাতে যমুনাবতীর ফোঁটা
এই দিনটা ভাই বোনেদের জীবনে সার্থকতা।
জগদ্ধাত্রীর আরাধনাতে নাগরিকরা ঋদ্ধ।
তুষ তুষলী ব্রত আর টুসু পরবে বাংলা সমৃদ্ধ।