কবিতায় শুভদীপ মাইতি

যে কথা রেখে এসেছে বালক : জন্মান্তর – ১৭
প্রতিটি সন্ধ্যে মানে, বুকের ভেতর বয়ে যাওয়া শীতল বাতাস। চারিয়ে যাচ্ছে দুব্বো।
মাঝরাতে সমস্ত শরীর জুড়ে দাহ। একটি ভাঙা কম্পাস। একশ তিন ডিগ্রি জ্বর।
নগর বাউলের সুর হাত বুলিয়ে দেয় কপালে। আমি ভাবি প্রিয় আমার বসে আছে মাথার কাছেই।
আমি ভুল বকতে বকতে, প্রিয়কে খুঁজতে থাকি। হারিয়ে যাই। অতঃপর ঘুম।
কি ভীষণ সেই ঘুম। গৌতম দিঘীর কালো জলের মতো গভীর সেই ঘুম।
স্বপ্নে দেখছি পাড়ার ছদ্মবেশে আমায় সাজিয়ে দিচ্ছো তুমি।
আমি যিশুর মতো ছড়িয়ে রেখেছি হাত, কতো সাবলীল
তুমি পেরেক ঠুকছো হাত, বুক,কপালে, গলায়।
অসহ্য যন্ত্রণা আমার শরীর জুড়ে। আমি তবুও মুখে কিচ্ছুটি বলছিনা।
মনে মনে শুধু বললাম, হে প্রভু ওকে ক্ষমা করো।
দেবায়ুষ আজ জিজ্ঞেস করলো ‘বাবা জাতিস্মর মানে কি’?
আমি কিছু বলার আগেই, কোন এক অদৃশ্য ঠোঁট ফিসফিস আমার কানে বললো,
জাতিস্মর মানে― গুঁড়ো জোনাকি আলো, চোখে ছুঁইয়ে গেছেন ঈশ্বর।