পুরুষ পেতে চায়। আর নারী নিজের অজান্তে কবেই যেন সব দিয়েই বসে থাকে। দুজনের এই দেনা পাওনার মধ্যেই বেঁচে থাকে প্রেম।
ভাবছেন তো? দেনাপাওনা কেন বললাম, দেওয়া নেওয়া নয় কেন!
বারে ! ঋণ জমে যায় না?
কিন্তু কি জানেন, পুরুষ উজাড় করে পেতে চায়। তার আকন্ঠ পিপাসা সমস্ত শরীর দিয়ে লেহন করতে চায়, শমণ জারীর সমাজ পেছনে ফেলে। সে পেতে চায় পুরোটা।
আর নারী ? ভেতরে ভেতরে অহর্নিশ দিয়েই চলেছে তার আকাঙ্খিত পুরুষটিকে।
সেখানে কোনো সামাজিক পরিকাঠামো নেই , অনুশাসন নেই, দায়বদ্ধতা নেই, ভয় নেই ।
এই এক জগৎ! যার নাম মন।
যেখানে মানুষের অবাধ বিচরণ!
কি , তাই তো?
ফলে ভাগ্যে বরাদ্দ হয় সংঘাত। একদিকের না পাওয়ার যন্ত্রণা আর এক দিকে গন্ডি ভেঙে না বেরিয়ে আসতে পারা।
তবু কোথাও যেন ভালোবাসা দাবী করে নেয় নিজেকে।
“Doudt thou the stars are fire
Doubt thou the sun doth move
Doudt truth to be a liar
But never doubt I love” (Hamlet)
বলুন তো, এরচেয়ে সত্যি আর কিছু হয় কি?
হাজার একটা অবিশ্বাস, না পাওয়ার হাজার একটা কারণ, এই সব কিছুর গোপণে হৃদয়ের আঁতুড়ঘরের পালকের ওমে ঘুমিয়ে থাকে পৃথিবীর সমস্ত শক্তি,, যা আবহমানকাল ধরে ইতিহাস সাক্ষী হিসেবে ধরে রেখেছে নিজেকে।
প্রেম।
এতো ঘটি ডোবা জলে হয়না। সেখানে শুধু তৈজসের নিত্য নৈমিত্তিক যাপন।
এ হচ্ছে অতলান্ত সমুদ্র। তলিয়ে যেতে হয় শুধু মাত্র। ভাসে থাকার কোনো যো নেই।
কখনো মন জোড়ে তো শরীর অপেক্ষার আগল ধরে শেষ জীবন অবধি, আবার কখনো শরীর জোড়ে তো মনের ঘরে অন্য মানুষ!