কবিতায় শুভদীপ মাইতি

আগল
নৌকো ভিড়ার অনিশ্চয়তা নিয়ে একটি ছেলে বৃত্ত আঁকছে উর্বর মাটির বুকে।
গভীরে খইয়ের মতো ফুটছে শব্দরা। মৌন ভাবে পেরিয়ে যাচ্ছে ব্রহ্মস্তর।
সম্বোধন ফিকে হলে, আরও বেশি তীব্রতর হয় ত্বক ও ট্যানিন। ক্ষত উপাচার।
জিরাফের গ্রীবা থেকে পিছলে পড়ে মায়া ভ্রম। ধূলোবালি প্রেম পরগনা
মেষপালকের গ্রামে কোন মন্ত্রপূত পুরুষ নেই।
উঠোন এবং শস্যক্ষেতের মাঝে অসহায় জেগে থাকে নিদ্রাহীন ঈশ্বর ও গৃহস্থ খিদে
বিধ্বস্ত, কোপানো শরীরে প্রাপ্য ভাঙচুর। নেমে আসে রাতে।
জমা হয়। সিঁড়ি ভাঙে। জাতিস্মর সাঁকোটির দিকে। ফল্গুধারায়
আমার আজন্ম মলিন স্মৃতিতে তুমি স্পষ্ট হলে, ভারি হয় দেহ।
আসলে আমাদের ছাদের নিচে দুজনের দুটি দরজা থাকলেও,
কোত্থাও কোনো দেওয়াল নেই আটকে রাখার।