কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে সিন্টু কুমার চৌধুরী

জোৎস্না ঘুঙুর
টুপ করে নেমে আসা জোৎস্না
রূপ- ঘুঙুরের শব্দে
নিস্তব্ধতা ভাঙে, বৃষ্টিস্নাত পাহাড়ি মাটির
অদ্ভুত গন্ধ সচকিতে তাকায়,
খুঁজে ফিরে শব্দের উৎস!
ঝন ঝনাত মৃদু তালে
গর্জনের ফোকরে ঢুকে, উপভোগ করছে
রূপ ও ধ্বনি! মাঝ শরৎ মধ্য রাত
কে যায় ভেসে, তুলোয় ভর করে
কখনও তীব্র রূপ, কখনও ঝাপসা
কখনও সব স্পষ্ট, কখনও অচেনা।
অজানা সুতোয় টান পড়ে
অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও আস্তান ছেড়ে
আবার রূপোর স্তরে ফিরে
স্তম্ভিত রূপপিয়াসি, স্থির স্তব্ধ
হয়ে রূপ সুধা পান করছে চেনা
অচেনা সবাই, রূপ জোৎস্না
মুগ্ধ করেছে, তুষ্ট করেছে
ঘুঙুরের পায়ে আসা জোৎস্না।
কিসের এতো ফিরার তাড়া!
হয়নি তো শুরু কথাই
সঙ্গে আসা সব কথার কলিরা
আশা সব সবিস্তারে জানাই।।