কবিতায় সপ্তর্ষি গাঙ্গুলী

স্নেহময়ী মা

টুকরো টুকরো শৈশব স্মৃতিগুলি আজ ভিড় করে আসে মনের ফ্রেমে
পাই না ভেবে ব্যস্ত কর্মসূচীতে তারে কেমনে বন্দী করব পর্যায়ক্রমে!
ভাগ্যতটিনীর প্রবহমান ধারায় ভেসে যেতে যেতে পেয়েছিলাম গিয়ে তোমার গর্ভে নিরাপদ ঠাঁই
ধরিত্রীর আলোয় বিস্মিত নয়ন মেলে প্রথম যারে দেখেছিলাম সে আর কেউ নয়, আমার ‘মা’-ই।
বক্ষমাঝের শীতল ছায়ায় রেখেছিলে মোরে আগলে অপার স্নেহসুখে
দিবানিশি তখন‌ হতে না কি ব্যাকুল প্রথম ‘মা’ বুলিটা শুনতে আমার মুখে!?
সুমিষ্ট এই বুলির মাধুর্যে একদিন হয়ে উঠল এই বসুধা আলোময়ী
জানি না কেমনে শুধিব তোমার অগণিত ঋণ ওগো মমতাময়ী!
সংসার ধর্মপালনে নিবৃত্ত তোমারে প্রত্যহ দেখেছি দিবাশেষে বড় ক্লান্ত
তবু্‌ কতিপয় পরিজন প্রত্যাশা আর চাহিদার কণ্টকে তোমারে বিঁধতে হয়নি কভু এতটুক ক্ষান্ত।
জীবনে তোমার সকল অবদান ভুলে যেন আজ তোমার‌ই সুখদুঃখের ভাগীদার না হবার হাজারো ছল
অথচ জীবনের ঘোর দুর্দিনেও জানি জীবনসংগ্রামে জয়ী হবার এই ‘মা’ ডাকটাই একমেবাদ্বিতীয়ম বল।
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!