T3 || স্তুতি || শারদ বিশেষ সংখ্যায় সৌমেন দত্ত

বোনকে লেখা বিপর্যয়ের চিঠি
এক অন্ধকার দুঃস্বপ্নে লিখতে বসেছি আজ,
সম্ভবত সেই অস্পষ্ট অক্ষর গুলো তুই একা বুঝবি,
তুই নেই আজ ঘর ফাঁকা,
তুই ছিলিস কবে! মন জানতে চাই নি,
তুই আর তোর অবাধ্য অভ্যেস আজ যেন সুপ্ত,
তোর সাথে কথা হয় না দীর্ঘ বছর,
তবুও কেন অস্থিরতা তোর না থাকায়..!
বুঝি না আজ কেন চঞ্চলতা আমার চারপাশ,
কেমন যেন হাঁতড়ে ফিরছে বারবার তোর মুখ,তোর বদমেজাজি স্বর,আর…
থাক না হয় কিছু গোপনেই অন্তরে বাহিরে।
তোর সাথে যত না দ্বন্দ্ব, হয়তো মনের অজান্তেই তার অধিক জোড়া দুই স্কন্ধ ,
প্রতিবাদী হতে মন চাইনি কখনও,
যতবার ঘূর্ণাবর্তের গভীরে গিয়েছি তলিয়ে,
ততবার কিনারার অপেক্ষায় প্রহর গুনেছি শান্ত চোখে,
তাই হয়তো ঘুম নেই আজ চোখে বাকি সবার মতোই,
কে জানতো তোর অনুপস্থিতি ঠোঁট গুলোতে ঝড় এনে দেবে!অশ্রুসিক্ত ক্ষতবিক্ষত হবে পাঁজর।
যা ছিলোই না সিলেবাসের লাল তারা চিহ্নে,আজ সেই অধ্যায়টি কেমন ফুটে উঠেছে অজান্তেই অশ্রুসিক্ত বেনিয়মে।
ভেবেছিলাম এই অন্ধকারে ডুবে থাকা পৃথিবীতে আমার আমিতেই নিমজ্জিত থাকবো জাগতিক নিয়মে,
পারলাম কই..!
কাঁপা কাঁপা হাতে জোর করেই লিখতে বসেছি,
মরা গাঙে জোয়ারের দুর্বোধ্য আশায়।
নির্বোধ অবাধ্য মূহুর্তের স্নেহ ভালোবাসা,
সংসারের সব চাওয়া হয়তো নিজ আয়ত্তে মুষ্টিবদ্ধ নয়,
এই অসম্ভবের মাঝে নিজেকে গুছিয়ে রাখা বড় অসম্ভব,
গোপনে চোরাবালিতে ক্ষত অজান্তেই হৃদয়ের চৌকাঠে ঝিনুকের দাগ স্বচ্ছ।
উওরের আশাই আর প্রশ্ন আঁকি না সাদা খাতাই,
দিয়ে যেতে এসেছি
নাই বা নিলাম কিছু
সুখ গুলো থাক সর্বদা তোর পিছু পিছু।
আকাশ দেখা একলা আমার মধ্যরাতে পুরনো অভ্যাস,
কোথায় জানি না ডুবে আছি, চোখের কোণে ঘন আষাঢ়ের সর্বনাশ।