T3 শারদ সংখ্যা ২০২২ || তব অচিন্ত্য রূপ || বিশেষ সংখ্যায় সমরজিৎ চক্রবর্তী

বিষ্ণুপুর রাসমঞ্চ
মল্ল মহারাজ বীর হাম্বিরের আমল থেকেই বৈষ্ণব ধর্মের প্রবল হিল্লোল আছড়ে পড়েছিল বিষ্ণুপুর তথা মল্লভূমের মাটিতে। শাক্ত ধর্মকে সরিয়ে রেখে নবধর্মের প্রচার প্রসারের মূল উৎসবই হয়ে দাঁড়িয়েছিল রাস। এই উৎসবকে রাজকীয় মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মহারাজা বীরহাম্বির নির্মাণ করেছিলেন একটি রাসমঞ্চ। ভারতীয় স্থাপত্যকলার অনন্য এক নিদর্শন। পিরামিড আকারের একটি মন্দির বা সৌধ। নির্মাণশৈলীর গঠনকৌশলের মুন্সিয়ানা ও অভিনবত্বে বিস্ময়ে বিস্মিত হয়ে যেতে হয়।
ভারতীয় পুরাতত্ব বিভাগ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিভিন্ন রাজ্যের মতন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার পুরাবস্তুগুলোর সংরক্ষণের দায়িত্ব নেয়। তারমধ্যে বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরে ২১টি পুরাবস্তুগুলো সংরক্ষণের দায়িত্ব নেয় একে একে। যদিও এই ২১টি ছাড়া আরও পুরাবস্তু আছে বাঁকুড়ায়। বছরের পর বছর ধরে দেখভাল করে আসছে বস্তুগুলোর। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল এই রাসমঞ্চ।
চারদিকে প্রায় ১০ ফুট চওড়া চাতাল ছেড়ে রেখে মধ্যিখানে মাত্র ৮ ইঞ্চি উঁচু একটি নিখুঁত বর্গাকার বেদীর উপর তৈরী এই রাসমঞ্চ। পিরামিড আকারের। বর্গাকার বেদীর পরিমাপ ৮০ ফুট বাই ৮০ ফুট। মঞ্চটির ভিতর ও বাইরে কতগুলো স্তম্ভের পর গর্ভগৃহ। বাইরের দিকে অর্থাৎ প্রথম সারিতে ৪০টি স্তম্ভ। পাশাপাশি দুটি স্তম্ভ একসঙ্গে মিলে রচনা করেছে সুন্দর এক খিলানের দরজা, যার উচ্চতায় ৬.৬ ফুট আর প্রস্থ ৪.৪ ফুট। প্রথম সারিতে স্তম্ভের সংখ্যা ৪০টি। দরজাও ৪০টি। দ্বিতীয় সারিতে ওই একই আকারের স্তম্ভ। গঠনশৈলীও প্রথম স্তম্ভের মতন, তবে স্তম্ভের সংখ্যা ৩২। দরজাও ৩২। তৃতীয় সারিতে ২০টি স্তম্ভ আর ২০টি দরজা। এই ২০টি স্তম্ভের মধ্যে ১৬টি ৪ ফুট বাই ৪ ফুটের। বাকি ৪টে ইংরাজী ‘এল’ হরফের। চারকোণা দেওয়ালের মতন, দৈর্ঘ্যে ৮.৩ ফুট প্লাস ৮.৩ ফুট। প্রস্থে ৪ ফুট। চতুর্থ সারিতে স্তম্ভের বদলে মোটাসোটা দেওয়াল দিয়ে তৈরী একটি ঘর বা উপগৃহ। দেওয়ালগুলো লম্বা চওড়ায় ৩২.৭ ফুট বাই ৩২.৭ ফুট। শুধুমাত্র দক্ষিণ দিকেই তিনটে দরজা বা প্রবেশ পথ। সংকীর্ণ অথচ খুব উঁচু এই দরজাগুলোর পরেই গর্ভগৃহ। কিন্তু যাওয়া মানা। তারজালি দেওয়া লোহার গরাদের তালাবন্ধ দরজা। বন্ধ দরজায় চোখ রাখলেই দেখা যায় রাসমঞ্চের গর্ভগৃহ। দক্ষিণমুখো গর্ভগৃহের পূর্ব ও পশ্চিম দিকের দেওয়ালে একটি করে দরজা আর পিছন দিকের দেওয়ালে মাঝে প্রমাণ আকারের একটি কুলঙ্গি। জনশ্রুতি যে এই কুলঙ্গিই হল বিহগ্র স্থাপনের বেদী। পূর্ব ও পশ্চিম দিকের দরজা দিয়ে পূজার উপকরণ ইত্যাদি রাখার জন্য।
এখন যদি হিসেব করে দেখা যায় এই রাসমঞ্চে ৯২টি স্তম্ভে মোট ৯৮টি দরজা (৪০+৩২+২০+৩+১+২)। ৯২টি স্তম্ভের সম্মিলিত শৃঙ্খলের উপরই পিরামিড আকারের ছাদটি দাঁড়িয়ে রয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী। সুবিশাল এই রাসমঞ্চের তৈরীতে কাঠ বা লোহা তো দূরের কথা, সামান্য একটি পেরেকও ব্যবহার করা হয়নি। শুধুমাত্র চুন-সুরকি আর পোড়ামাটির ইট দিয়ে গাঁথা। স্থাপত্যকলার এক অন্যতম বিস্ময়। প্রথম সারির স্তম্ভগুলোর ঠিক উপরে ছাদের উপরের প্রান্তভাগে বাংলার দোচালা ও চারচালা ঘরের ছাদঢালার আদলে তৈরী করা হয়েছে ২০টি গম্বুজ। গম্বুজগুলোর মধ্যে চারটি চারচালা চৌকোণা গম্বুজের মধ্যে প্রত্যেকটি দৈর্ঘ্যে ৬ ফুট, প্রস্থে ৬ ফুট, ও উচ্চতায় ৪ ফুট আকারের। বাকি ১৬টি গম্বুজের মধ্যে পূর্ব পশ্চিম ও উত্তর দক্ষিণে রয়েছে ৪টি করে দোচালা আকারের। প্রতিটা দৈর্ঘ্যে ১৪ ফুট, প্রস্থে ৬ ফুট ও উচ্চতায় ৪ ফুট করে। সঙ্গে দেওয়া ছবিটি দেখলেই বুঝবেন, কুড়িটি গম্বুজের গোড়া থেকে শুরু হয়ে পিরামিডের প্রথম ধাপ। তিরিশটি ধাপ নিয়ে তৈরী পিরামিডটি ধাপে ধাপে ক্রমশ সরু হয়ে উপর দিকে উঠে গেছে। শেষ ধাপ বা সর্বোচ্চ ধাপটি চারকোণা একটি বেদীর মতন। তারওপর উল্টানো কড়ার মতন দেখতে অর্ধবৃত্তাকার একটি গম্বুজ। ২০০০ সালে ২ নভেম্বর পুরাতাত্বিক বিভাগের তরফ থেকে এই রাসমঞ্চ দর্শনের জন্য প্রবেশ মূল্য চালু করা হয়। ভারতীয়দের জন্য মাথাপিছু পাঁচ টাকা। বিদেশীদের জন্য ১০০ টাকা বা দু’ ডলার। যদিও এখন তা বেড়ে কুড়ি টাকা আর আড়াই-শো টাকা হয়েছে। তবে একবার কুড়ি টাকা দিয়ে টিকিট কাটলে ওই টিকিটেই বিষ্ণুপুরের অন্যান্য সব দর্শনীয় স্থান দর্শন করা যায়।
গেট দিয়ে প্রবেশ করতেই চোখ চলে যাবে অদূরে অবস্থিত পিরামিডের চূড়ায়। তারপরেই এসে আটকে যাবে মখমলের মতন সবুজ ঘাসের গালিচা পাতা উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে, একটি উঁচু বেদীর উপর রাসমঞ্চটি অবস্থান করছে। ৬.৫ ফুট উচ্চতার বেদীটি দৈর্ঘ্যে ১০০ ফুট, প্রস্থে ১০০ ফুট। বেদীর নীচের অংশে চারদিকে খিলান দেওয়া ২৬টি দরজার নক্সা। উত্তর দিকে দেওয়ালে জমি থেকে প্রায় তিনফুট উপরে একটি স্বেদনালী। কথিত যে, এই নালীটি গর্ভগৃহের সঙ্গে যুক্ত।
গ্রীলঘেরা রেলিংয়ের ওপারে বেদী উঠার সিঁড়ি। দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ। ৮ ফুট বাই ১৪.৫ ফুট সিঁড়িতে সাতটি ধাপ। পাঁচটি ধাপের পর সাত ফুট বাই আট ফুটের চওড়া চাতাল, জিরিয়ে নেওয়ার জন্য। তারপর দুটি ধাপ উঠলেই মঞ্চের চাতালে। ইতিহাস ফিসফিসিয়ে কথা কইতে শুরু করে।
১৬০০ সালে মল্লভূমের ৪৯তম মহারাজা বীরহাম্বির এই রাসমঞ্চ নির্মাণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন সম্রাট আকবর ও সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমসাময়িক। শাক্ত থেকে বৈষ্ণব হওয়ার নেপথ্যে ছিলেন শ্রীনিবাস আচার্য। বাদশাহ আকবরের আমলে মল্লভূমে অশান্তি ছিল না বললেই চলে। আদর্শ রাষ্ট্রগঠনের জন্য বীরহাম্বির সেসময় আত্মনিয়োগ করেন। কিন্তু তারজন্য বিশাল অর্থের প্রয়োজন। আর এরজন্য তিনি লুণ্ঠন করতেও পিছপা ছিলেন না। তাঁর রাজসভায় দেবনাথ বাচস্পতি নামে এক জ্যোতির্বিদ ছিলেন। গণনা ছিল অভ্রান্ত। রাজাকে বলেন বিষ্ণুপুরের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে কয়েকদিনের মধ্যে মূল্যবান রত্ন পার হয়ে যাবে। সেইকথা শুনে রাজা বীরহাম্বির সেইসমস্ত রত্ন লুট করে নেওয়ার জন্য সৈন্যদের নির্দেশ দিলেন। রাজার কথামত সৈন্যরা জ্যোতিষীর বলে দেওয়া নিদিষ্ট স্থানে আত্মগোপন করে থাকল। কয়েকদিন পর এল সেইদিন। কয়েকজন ব্রজবাসী লাঠিয়াল কয়েকটি গোরুর গাড়ি পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গাড়ি দুটির মধ্যে বিশাল কাঠের বাক্স আর তার পাশেপাশে চলেছেন তিনজন বৈষ্ণব আচার্য। সঙ্গেসঙ্গে তারা গোরুর গাড়ি দুটির পিছু নিল। সন্ধ্যে হয়ে এসেছিল, আচার্যরা বিষ্ণুপুরের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে গোপালপুর গ্রামের এক চটিতে আশ্রয় নেওয়ার মনস্থ করলেন। গভীর রাত্তিরে তাঁরা যখন ঘুমিয়ে পড়ল সেসময় সৈন্যরা বিশাল কাঠের বিশাল বাক্স দুটি নিয়ে সটান চলে আসে রাজদরবারে। প্রবল উৎসাহ নিয়ে রাজা সেই বাক্স খুললেন। রাশি রাশি হাতে লেখা পুঁথি। “মণিমঞ্জুষা” নামে বিখ্যাত বৈষ্ণবগ্রন্থ। “হরিভক্তি বিলাস”, “হরিভক্তি রসামৃতসিন্ধু”, “চৈতন্যচরিতামৃত”, “উজ্জ্বল নীলমণি”, “ললিত মাধব”, “বিদগ্ধ মাধব”, “দানকেলী কৌমুদী” ইত্যাদি। ধনরত্নের বদলে পুঁথি দেখে হতাশ হয়ে পড়লেন, তাঁর কাছে এসবের কোন মূল্য নেই তবুও পুঁথিগুলো তিনি চিলেকোঠার ঘরে রেখে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন।
বৃন্দাবন ধাম থেকে শ্রীজীব গোস্বামী এই সব পুঁথি পাঠাচ্ছিলেন গৌড়ের মঠে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলেন শ্রীনিবাস আচার্য, নরোত্তম ঠাকুর ও শ্যামানন্দকে। পুঁথির বাক্স লুট হতে তিনজনেরই বুক ভেঙে গিয়েছিল। নিজেকে শক্ত করে শ্রীনিবাস আচার্য খবর পাঠালেন বৃন্দাবনে। নরোত্তম ও শ্যামানন্দকে পাঠিয়ে দিলেন নরোত্তমের জন্মভূমি সন্তোষগ্রামে। তারপর নিজে নামলেন হারিয়ে যাওয়া পুঁথির অন্বেষণে। গোপনে সন্ধান করতে করতে চলে এলেন বিষ্ণুপুরের কাছে দেউলি গ্রামে। এখানে এসে তিনি জানতে পারলেন রাজা বীরহাম্বির স্বয়ং এই পুঁথি চুরি যাওয়ার সঙ্গে যুক্ত। কৃষ্ণবল্লভ চক্রবর্তী নামে এক ব্রাহ্মণের সঙ্গে রাজসভায় গিয়ে হাজির হলেন।
রাজা বীরহাম্বির বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করার আগে থাকতেই বিষ্ণুপুরে এই ধর্ম স্বল্পভাবে প্রচারিত ছিল। শ্রীজীব গোস্বামীর এক আত্মীয় মথুরেশ সার্বভৌম এখানে অনেক আগে থেকে বাস করতে শুরু করেছিলেন। তাঁকে ঘিরে একটা আখড়া জমে উঠেছিল তবে সে আখড়ার তেমন বিশেষ প্রভাব ছিল না। শ্রীনিবাস যখন রাজদরবারে হাজির হলেন তখন সভাপন্ডিত ব্যাসাচার্য রাজাকে ভ্রমর-গীতা-র ‘রাস-পঞ্চাধ্যায়’ অংশ পাঠ করে তা ব্যাখ্যা করে শোনাচ্ছিলেন। সভাপন্ডিতের ব্যাখ্যা মনোমত না হওয়ায় শ্রীনিবাস রাজঅনুমতি নিয়ে নিজেই ‘রাসপঞ্চাধ্যায়ী’ ব্যাখ্যা করে শোনাতে শুরু করলেন। তাঁর ভক্তি-আপ্লুত অন্তরের আবেগ মাখানো প্রাণজ্জ্বল ব্যাখ্যা রাজাসহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। ভাব বিহ্বল রাজা সিংহাসন থেকে উঠে গিয়ে শ্রীনিবাস আচার্যকে প্রণাম করলেন। আপনি আজ থেকে আমার গুরু। সমস্ত পুঁথি তাঁকে ফিরিয়ে দিয়ে যথাযোগ্য স্থানে নিজ দায়িত্বে পাঠানোর ব্যবস্থা করলেন।
আষাঢ় মাসে শুক্লপক্ষে পঞ্চমী তিথিতে রাজা বীরহাম্বির, মহারাণী শিরোমণি পট্টমহাদেবী ও রাজপুত্র ধাড়িহাম্বির বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হলেন শ্রীনিবাস আচার্যের কাছে। হিংসার পথ পরিত্যাগ করে প্রেমের মধ্য দিয়ে মানবকল্যাণের পথ দেখা শুরু করলেন মহারাজা বীরহাম্বির। চারিদিকে প্রতিষ্ঠা করলেন বৈষ্ণবদের আখড়া, মোহন্তদের আশ্রম, অতিথিশালা ইত্যাদি। বিষ্ণুপুরকে গড়ে তুললেন বৃন্দাবনের মতন। চারপাশের গ্রামগুলোকে মথুরা, অবন্তী, দ্বারকা, মধুবন ও অযোধ্যা ইত্যাদি নামে নতুনকরে নামাঙ্কিত করলেন। অচিরেই বিষ্ণুপুর খ্যাত হয়ে উঠল “গুপ্তবৃন্দাবন” নামে। রাজ্যের সমস্ত বিগ্রহের রাস উৎসবের জন্য বিষ্ণুপুরের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে নির্মাণ করলেন পিরামিড আকারের বিশাল এই রাসমঞ্চ। আর এইসব করতে গিয়েই দীর্ঘদিনের রাজস্ব বাকি পড়ার দরুন তাঁকে নবাবের কারাবাস পর্যন্ত করতে হয়েছিল। কুতবউদ্দিন খাঁ ছিলেন বাংলার নবাব। মুক্তিও পেয়েছিলেন অলৌকিকভাবে। নবাব তাঁকে ‘দেব’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, মুক্তি পেয়ে তীর্থদর্শন করে ফেরার পথে বীরভূমের বৃষভানপুর অরণ্যপ্রান্ত মন্দির থেকে কৃষ্ণপ্রেমে পাগল রাজা চুরি করে আনলেন মদনমোহন বিহগ্র। যদিও ভক্তরা বলে থাকেন, স্বয়ং মদনমোহন রাজাকে স্বপ্নাদেশে আদেশ করেছিলেন তাঁকে চুরি করে আনতে। সে আর এক কাহিনী। আর এই মদনমোহনই ৫৬তম মল্লরাজা চৈতন্যসিংহদেবের হাত ধরে ব্রিটিশ কলকাতায় বন্ধকি হিসেবে চলে যান গোবিন্দরাম মিত্রের কাছে।
রাস উৎসব অনুষ্ঠিত হতো কার্তিক মাসে। সেসময় রাসমঞ্চকে সাজান হতো সুন্দরভাবে। খোলা ময়দানে প্রচুর দর্শকের সমাগম হতো, আবেগ মথিত সে সব এখন কেবল ইতিহাসের বিবর্ণ পাতায় শায়িত। অনেক অনেক দিন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রাস উৎসব। সম্প্রতি আবার শুরু হয়েছে রাস উৎসব।
দর্শন সেরে ফিরে আসার সময় আরও একবার ঘুরে দাঁড়াতেই হয়। মন কেমন করা ইতিহাসের ডাক উপেক্ষা করা যায় না, অনেক কিছু জেনেও অনেক কিছু রয়ে গেল অজানা।