মার্গে অনন্য সম্মান সুমিতা চৌধুরী (সেরা)

অনন্য সৃষ্টি সাহিত্য পরিবার
সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতা পর্ব – ১২৭
বিষয় – বাসন্তী পূজা
বাসন্তী পূজা
আদিকালে চৈত্র মাসেই হয়েছিল
প্রথম মহামায়ার আরাধনা,
বসন্তকালীন এই উৎসব তাই,
“বাসন্তী পূজা” নামেই আজ সবার জানা।
চন্দ্রবংশীয় মহাপরাক্রমশালী রাজা সুরথ,
করেন এই পূজার প্রচলন।
সঙ্গে ছিলেন সমাধি নামক
এক হতভাগ্য দয়ালু মহাজন।
দুজনাই প্রতারিত হয়েছিলেন
আপন পরিজন দ্বারা,
দুজনাই ভাগ্যের পরিহাসে হয়েছিলেন
আপন রাজ্য ও গৃহ হারা।
নিয়েছিলেন আশ্রয় তাঁরা
ঋষি মেধসের আশ্রমে,
তবুও আপনজনের মঙ্গল কামনা
যাননি একমুহূর্তের জন্যেও ভ্রমে।
ঋষি মেধসের কাছে শোনেন তাঁরা
মহামায়ার কাহিনীর বর্ণনা,
তাঁরই পরামর্শে করেন তাঁরা
প্রথম মায়ের আরাধনা।
মহামায়া করলেন দূর
তাঁদের সকল সংকট,
এভাবেই প্রতিষ্ঠিত হলো
এ ধরায় বাসন্তীদেবীর মঙ্গল ঘট।
এই পূজার অষ্টমী তিথিতে
পূজিতা হন মা অন্নপূর্ণা,
অন্নদাত্রী তিনি সকলের,
সকলেই যে তাঁর আশীষধন্যা।
এই পূজারই নবমী তিথিতে,
ধরায় আবির্ভূত হয়েছিলেন নারায়ণ।
“রাম” অবতার রূপে জন্মেছিলেন অযোধ্যায়,
দশরথ ও কৌশল্যার পুত্র রূপে করে পদার্পণ।
এভাবেই বাসন্তী পূজা মহিমান্বিত
সেই পুরাকাল থেকে,
বসন্ত ঋতুতে মহামায়ার নব রূপকে করি সবে আরাধন,
আপন জীবনে তাঁর আশীষধন্য হতে।।