গদ্য কবিতায় সংঘমিত্রা ভট্টাচার্য

আশ্বাস
তোমার আশ্বাস ভরা হাতটার আজ বড়ো প্রয়োজন।
তুমি তো জানো।
দুঃখগুলো জমাট বাঁধতে বাঁধতে কখন যে মেঘ হয়ে গেলো।
জানতেই পারলাম না।
কান্নাগুলো ঝরতে ঝরতে কখন যে নদী হয়ে গেলো!
বুঝতেই পারলাম না!
তবুও দেখেছি ভোরের নরম রোদ কৌতূহলে নুয়ে পড়ে সদ্য জেগে ওঠা ফুলের পাপড়িতে।
এখানে মত্ত যৌবন বাসা বাঁধে নারীর হৃদয়ে।
সমস্ত অবসর কুড়িয়ে নিয়ে সান্ধ্য আসর জমে জোনাকির আলোয় নীলাভ ঘাসের কোলে।
বিকেলের উড়ে আসা উদভ্রান্ত মেঘ এক পশলা বৃষ্টি ঝরায় রণক্লান্ত শালিখের ডানায়।
ঝাউবন একান্ত নিশ্চুপে সোহাগ ছড়ায় বাতাসের সাথে।
এক একটা আকাশের তারা তোমায় আমায় দেখে পরস্পর মুখ চাওয়াচাওয়ি করে।
গাঢ় কুয়াশায় দূর থেকে ভেসে আসে ফসলের গন্ধ।
বাতাসের আস্তরণে লেগে থাকে হিমেল পরশ।
আমাদের প্রেম বহু পথ হেঁটেছে আবহমান কাল ধরে পুরাতন এই গ্রহে।
তবুও যৌবন কোনো নরম মুহূর্তে দাগ রেখে যায় মাটির পৃথিবীতে।
তাই হয়তো আঁধারের অন্তরালে নিরন্তর ঝাঁক ঝাঁক কাহিনীরা পাখা মেলে কোনো নাম-গোত্রহীন কবির কল্পনায়।
খুব সুন্দর