|| নারীতে শুরু নারীতে শেষ || বিশেষ সংখ্যায় সুব্রত ভট্টাচার্য্য

নারী জন্ম
দশমাস আর দশদিনের সাধনা।
দিল যে কত অসহনীয় যন্ত্রণা।
লভে প্রাণপ্রিয় ধন্য হলো জীবন।
আনল হৃদয় জুড়ে সুখের প্লাবন।
কে দেবে এমন প্রেম ভূবন বিস্তারি!
জননী – সে এক অমৃতের নারী।
পতি পুত্র কন্যা নিয়ে সারা দিনক্ষন।
নিজস্বতা চলে যায় মিলায় স্বপন।
বাইরে যাবার আর নায় কোনো পথ।
টেনে যেতে হয় শুধু জীবনের রথ।
কে বইবে এ বোঝা আজীবন ভারী!
বন্দিনী – সে এক পরাধীনা নারী।
মদিরা নৃত্য আর সঙ্গীত বাদন।
নর্তকী রমনী হয় বিলাস-কানন।
নিশার রঙ্গমঞ্চ নেশায় বিভোর।
সুরতালে মাতে মাতাল ভ্রমর।
কে লভে এ জীবন বার মাধুরী!
বিষাদিনী – সে এক ব্যাথিত নারী।
বিপন্ন নারী জাতি চায় নিস্কৃতি।
পারে না সইতে পীড়া দিনরাতি।
শুনেও শোনেনা কভু পুরুষ প্রানী।
আর্তনাদ ভরা এতো নারীর গ্লানি।
কখন যে হবে শেষ বিভীষিকা বিভাভরী!
কখনই বা পাবে মুক্তি পীড়িতা নারী!
কখন যে লবে স্বস্তির শ্বাস মনের ভিতর!
কখনই বা পাতবে স্বাধীন সুখের আসর!