|| না সম্পাদকীয় পর্বে || সঙ্কর্ষণ

সাধারণতঃ স্বাধীনচেতা ও সাহিত্যগোষ্ঠী সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে অবস্থান ক’রলেও যে বিরল ক্ষেত্রসমূহে উভয়ের পারস্পরিক সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য হ’য়ে ওঠে, সেই সৌহার্দ্যের অধিকাংশই বর্ণনাতীত।
কেবল মোহনা হিসাবে গণ্য করা নিতান্ত তুচ্ছ হবে, বরং উৎস হ’তে তীব্রবেগে ছুটে চলা নদীর অঙ্গে অঙ্গে যে উচ্ছ্বাস পরিস্ফুট হ’য়ে ওঠে সম্ভবতঃ সে স্পর্ধাই তার একমাত্র চরিত্র। অজস্র স্রোতই মূলতঃ নদী, নদীও তরল তারুণ্যেরই সমাহার।
সমগ্রকে চূর্ণ ক’রে সাহিত্যজগতের উচ্চতর শৃঙ্গে আরোহণে যাঁরা অগ্রণী তাঁরাই তো ভবিষ্যৎ। বৃষ্টি আসুক, সিক্ত ক’রুক, দীর্ঘ ক’রুক নূতন যাত্রাপথ। সম্পাদনা ধ্বংসে ব্রতী হোক, ঊর্ধ্বে রাখুক, যা কিছু হারিয়েছে দিশাহীন পথিকের হাতে…
যে প্রাচীর-জননী তরঙ্গ, যত্নে সেখানে থাকে কাঙ্ক্ষিত মহাবীরগাথা।
ধন্যবাদ।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।