সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে সোনালি (পর্ব – ১১৫)

রেকারিং ডেসিমাল
এসে গেলো ভাইফোঁটার দিন।
সকালে শ্বশুর গেলেন ফোঁটা নিতে বোনেদের কাছে। বর ও গেলো ননদের কাছে। তার বাড়িতে তার ননদ, তার ননদের ছেলেমেয়ে, শ্বাশুড়ির ভাইয়েরা মানে তার মামাশ্বশুর মামিশাশুড়িরা সবাই আসেন। ভ্রাতৃদ্বিতীয়া সেখানে মস্ত উৎসব।
হইচই রান্নাবান্না চলছে।
আমি ত আমার মায়ের একটিই। কাজেই ফোঁটার ব্যাপার নেই। আমার মায়ের কাছে আমার বাড়ির দিদি আর ভাইয়ের ফোঁটার আয়োজন হচ্ছে দেখে আমি হাসপাতালে গেলাম।
রোগিণী একা পথ চেয়ে বসে আছেন সেখানে।
আমি হাসপাতালে গিয়েই শুনলাম বড় ডাক্তাররা সবাই আমাকে দেখা করতে বলেছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।
আগে ডাকছেন যাঁর আন্ডারে রোগিণী ভর্তি হয়েছেন তিনি। সাথে প্যাথলজির হেড আর যে সার্জেন বায়োপসি করেছেন তারাও আছেন শুনলাম।
আমি আল্লাদে আটখানা হয়ে ভাবলাম, তা হলে আজ ছুটি। যাক বাবা, বাড়ি গিয়ে সবার সাথে একটু আড্ডা দিয়ে বাঁচবে বেচারা।