সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে সোনালি (পর্ব – ৭৩)

রেকারিং ডেসিমাল

ছোটরা একটু তাড়াতাড়ি বড় হয় তাদের নিচে আরেকটু ছোট কেউ এলে।
ছোট বোন আর বড় দাদার বরাবরই একটা অশুভ নেক্সাস ছিলো।
একেবারে খুদে বেলায় দাদার পিঠে চড়ে ঘুরেছেন ষোলো বছরের ছোট বোন।
একটু বড় হতে হতে সে সব দাদা-দিদিদের পিছনে দৌড়ায়।
পাত্তা না পেলে চেঁচামেচি মারামারি ঝামেলা।
মাঝখানে তাকে বসিয়ে দাদারা ঘিরে বসে খিস্তিখেউড় শেখায়।
নাকি কচি বাচ্চার মুখে গালাগালি শুনে হাসি পায় সবার। অবোধ শিশু হাসিমুখে আওড়ায় শেখানো বুলি।
সবাই সুন্দর ফুটফুটে বাচ্চাকে চকোলেট লজেন্স কোল্ড ড্রিংকস কিনে অস্থির।
বায়না করলেই কেউ না কেউ হাজির মিটিয়ে দিতে।
কাকা পিসি দাদা দিদি, কেউ নেই ত দিদা, জেঠি।

তবু দাদা, মানে বড় দাদার একটু বেশিই নেওটা ইনি।
দাদা অফিস থেকে ফিরে জুতোর ফিতে খুলতে খুলতেই কোলাপ্সেবেল গেটের ফাঁক ধরে সিঁড়িতে ঝুলে থাকে হনুমতী।
আর এক নিঃশ্বাসে বলা হতে থাকে সারা দিন বাড়িতে যা যা ঘটেছে তার বিশদ বিবরণ।
জানিস ত দাদা, জানিস ত দাদা, জানিস ত দাদা…
বাড়িশুদ্ধ লোক বলে দাদার চামচা।
তাতে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই এই অদ্ভুত বেমানান জুটির।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।