সম্পাদকীয়

জয়। ভবা পাগলার জয়।
সারা কালনা জুড়ে বারবার এই ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। পিতৃ দত্ত নাম ভবেন্দ্রমোহন চৌধুরী। কিন্তু ভক্তদের কাছে তিনি ভবা পাগলা। বৈশাখের শেষ শনিবার ও রবিবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় ভবার ভবানী মন্দিরে বিশাল মেলা বসে। শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয় বাংলাদেশ থেকেও শিল্পীরা এই মেলায় গান করতে আসেন। রামকৃষ্ণের যেমন ভবতারিণী। রামপ্রসাদের শ্যামা মা। বামাক্ষ্যাপার যেমন তারা। ভবার তেমন ভবানী।
কে এই ভবা পাগলা? হাওড়া বর্ধমান শাখায় স্টেশনটির নাম অম্বিকা কালনা। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে পুণ্যতোয়া গঙ্গা। এই জনভূমি দেখলেই বোঝা যায় এটি সাধকের পিঠস্থান।
“ নদী ভরা ঢেউ বোঝে না তো কেউ ” যার লেখা তিনি আর কেউ নন স্বয়ং ভবা পাগলা। স্টেশন থেকে কিছুটা গেলেই ভবার ভবানী মন্দির। পূর্ববঙ্গের ঢাকা থেকে সপরিবারে কালনায়। এখানেই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন গৃহি ভবা। এখানে ভাবার সমাধি রয়েছে। শান্ত গাছগাছালিতে ঘেরা। এই দিনটিতে বাংলাদেশের ভাবার আমতা মন্দিরেও চলে পুজোপাঠ। কালনায় সাধু সন্তরা আসেন। আসেন বাউল শিল্পী ও ক্ষ্যাপা খেপির দল।
মেলায় পাঁপড় ভাজা তো আছেই। সঙ্গে গরম জিলাপি।
রীতা পাল