তরঙ্গ শব্দটি শুনলেই মনে হিল্লোল ওঠে। একটা অন্য রকম অনুভূতি জাগে মনে।
রুপমের সাথে পরিচয় হবার পর থেকেই তরঙ্গ পত্রিকার সাথেও পরিচয় হয়। তা প্রায় চার বছর। তবে থেকেই মনেপ্রাণে জড়িয়ে রয়েছি এর সাথে। মনে হয় এতো আমার নিজের পরিবারের পত্রিকা ( রুপম দিভাই বলে, মানে। সেই সুত্র ধরে)।
অনেক লেখা লিখেছি এই পত্রিকায়। আজ সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য। তাতে যেমন গর্ব হচ্ছে তেমন ভয় হচ্ছে। মিশ্রিত অনুভূতি নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই। পাসে অবশ্যই আপনাদের চাই। পাঠক, লেখক দুই ছাড়া পত্রিকা হয় না। আমরা নিজেদের আপডেট করছি, এবং আরও নতুন দিগন্তের সন্ধান আমাদের লক্ষ্য। লেখালেখির জগতে চুড়া বা শৃঙ্গ বলে কিছু হয়না। পথ চলাই কর্ম। আমরাতা কদম বাড়ালাম—।