গদ্য কবিতায় রত্না দাস

আন্ডারটেকার

রক্ত আখর ফোটে বুকের গভীর বর্ণমালায় কখনো কখনো চামড়া ফেটেও ফুটে ওঠে! এঃ মাগো, কি ভয়ানক কুৎসিত…
বিদ্রোহ শুধু বাইরে নয় ঘরেও। চার
দেয়াল লেখে বৈপ্লবিক শিলালিপি। উৎকীর্ণ হয় রক্তজাত ইতিহাস…

গাঙুরের জল নাচে ছলাৎ ছলাৎ
ভাসে বেহুলার পায়ের ছন্দ। পোকায় ধরা, খুবলে খাওয়া শব নিয়ে বেহুলার দূরদেশ পাড়ি।
বেহুলার তবুও ছিলো অঙ্গীকার… আজ সবাই আন্ডারটেকার! নিজের শব কাঁধে মহাদেব… ও! না না মহাদেবের কাঁধে তো সতীর শব! সতী ভাগ্যবতী।
বইবার লোক পেয়েছিলো। আমরা হেঁটে
চলেছি নিজের নিজের শব বয়ে অন্ত্যেষ্টিপর্বে! চিতার আগুন লকলকে
হাওয়া ছড়ায়। এর শুরু কখন, কবে, কোথায়!
উত্তর নেই… উত্তর নেই…

শালবনে ফিসফিসে হাওয়া বলে এসব তো প্রাগৈতিহাসিক! কি খোঁজো…
উত্তর মিলবে না।
তখন রক্তচাঁদ নামে ঘন অন্ধকারে।
লেখা হয় নষ্ট গদ্যের উপসংহার…
পর্ব থেকে পর্বান্তরে গড়িয়ে যায় ভগ্নপ্রায় ছিন্নবিচ্ছিন্ন মনোরথের চাকা…

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।