|| অণুগল্প ১-বৈশাখে || বিশেষ সংখ্যায় রতন চক্রবর্তী
by
·
Published
· Updated
ইলিশ ছিনতাই
এক,
হাট থেকে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে গেছে। আজ সাথে কোন সঙ্গি নেই। কাল পহেলা বৈশাখ। তাই আজ হাট থেকে নসু পন্ডিত একটা বড় দেখে ইলিশ কিনেছে। পন্ডিত হলেই মাছ খাওয়া যাবেনা, এ কেমন কথা?
দুই,
রাস্তাটা নিরব। সামনে একটা তেঁতুল গাছ। রাস্তার পাশেই। ওটার নিচে দিয়ে যেতেই যত ভয়। ওখানেই তেনারা থাকেন কিনা। যদিও আজ জোছনা আছে। দেখতে দেখতে নসু পন্ডিত তেঁতুল গাছটার কাছে এসেই গেলো।
তিন,
হঠাৎ নসু পন্ডিতের কলজে কাঁপিয়ে দিয়ে অনেক গুলো শেয়াল সমস্বরে ডেকে উঠলো। থমকে দাঁড়ালো নসু পন্ডিত। একটু হলে তার হাত থেকে ইলিশ মাছের থলেটা পড়েই যাচ্ছিলো। মনটাকে শক্ত করে, আবার হাঁটা দিলো নসু পন্ডিত। তেঁতুল গাছটার তলায় আসতেই, ধুপ করে, কিছু একটা লাফিয়ে পড়লো তার সামনে।
চার,
আবছা আলোয় নসু পন্ডিত তার সামনে এক ভয়ঙ্কর ভূতকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলো। নাকি সুরে ভূত বাবাজি বললো, ‘মাঁছটা দেঁ নঁসু। আঁমাদেরও তোঁ পঁয়লা বৈঁশাখ আছে, নাঁকি!’ বলেই মাছটা ছিনিয়ে নিলো ভূতটা।