মার্গে অনন্য সম্মান রীতা চক্রবর্তী (সেরা)

অনন্য সৃষ্টি সাহিত্য পরিবার
সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতা পর্ব – ১২৭
বিষয় – বাসন্তী পুজা
অর্ঘ্য দান
বসন্তের এই অমানিশি ভোরে
ওগো আমার আগমনীর আলো
রেডিও বাজে সবার ঘরে ঘরে।
জ্ঞানের শিখা অন্ধ মনে জ্বালো।
চৈতী দেবীর বন্দনা গান বাজে।
বছর শেষে আসেন ফিরে মাতা।
হৃদয়ে সেই সুরের ছোঁয়া সাজে।
জগৎ জনের দুঃখ পরিত্রাতা।
আজকে যারা আছেন শ্যামা তন্বী।
মেয়ে বলে নয় তারা নিরস্ত্র।
শাস্ত্র জানে এখন ওরা বহ্নি।
দশভূজা দশটি হাতেই অস্ত্র।
শক্ত শরীর অঙ্গের অলংকার।
প্রমাণ হল যোগ্যতা তার আছে।
অসাধ্য কাজ করছে সাধন আর
মায়ের রূপে আছে সবার কাছে।
পোষা পাখির খাঁচার বেড়ি টুটে।
পত্রালি আর পল্লবশাখে আজ।
কালবৈশাখী ঝড়ের বেগে লুটে
ফুলের দলে রং বাহারি সাজ ।
এলো বসন্ত মন পাপিয়া বাগে
ফোটায়নি ফুল প্রেম জানেনি যে ;
রঙিন ছবি স্বপন আঁকে রাগে!
কালবোশেখি আসে ঘুম ভাঙাতে।
প্রখর দহন রুদ্র তেজে তার
সূর্যতপা এই ধরনী ধন্য।
দগ্ধ করে শোধন করে ভার।
সবুজ সতেজ সাজানো অরণ্য।
প্রকৃতি আর মনের কথা মিলে
আসে যখন নতুন আলোর বান।
বসন্ত আর বাসন্তী বন্দনায়
পূজার থালা দেবীর অর্ঘ্য দান।