T3 শারদ সংখ্যা ২০২২ || তব অচিন্ত্য রূপ || বিশেষ সংখ্যায় রতন বসাক

মানুষের চরিত্রই তাঁর পরিচয় বহন করে
আমরা সবাইতো মানুষ তবে, একজন মানুষ কেমন? সেটা বোঝা যায় তার চরিত্র দেখলেই। চরিত্র সবসময় সত্য, সুন্দর ও নিষ্পাপ হওয়া উচিত। চরিত্রই মানুষের ব্যক্তিত্বের পরিচয় দেয়। একজন মানুষের সম্মান তার চরিত্রের উপর নির্ভর করে। চরিত্রহীন মানুষকে কেউ পছন্দ করে না সমাজে।
কোনো অসৎ চরিত্রের ব্যক্তিকে তার পরিবারেরও কেউ পছন্দ করে না। সেই অসৎ চরিত্র নারীও হতে পারে আবার পুরুষও হতে পারে। আর এই অসৎ চরিত্রের জন্য পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকে। কেননা চরিত্র যদি ভালো না হয়, তাহলে তাকে বিশ্বাস ও ভরসা করা যায় না।
অসৎ চরিত্রের ব্যক্তিত্বের লোকেরা মুখে কিছু বলে থাকে কিন্তু প্র্যাকটিক্যালি তারা অন্য কিছু করে থাকে। তারা বাইরে থেকে দেখাবে যে আমিই সবচেয়ে ভালো। কিন্তু তাদের ভিতরের পরিচয় যখন জানা যায়, তখন বোঝা যায় যে সে কতটা ভালো ? এসব ব্যক্তিত্বের লোকেরা শুধুমাত্র নিজের কথাই ভাবে।
নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য যে কোন অন্যায় কাজও করতে এরা পিছপা হয় না। পরিবারে থেকেও এরা নিজের কাজটাই শুধু ভালো করে গুছিয়ে নিতে পারে। নিজের সুখ-সুবিধাটাই সবার আগে দেখে। পরিবারের সুখ-সুবিধা কিংবা মানসম্মান এরা কথা কোন সময়ই চিন্তা করে না।
পরিবারের বাকি সবাই ভালো কিন্তু একজন অসৎ চরিত্রের ব্যক্তিত্বের জন্যই, পুরো পরিবারের বদনাম হয় সমাজে। আর তার জন্যই পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকে বারো মাস। জীবনের সবকিছুই পুনরুদ্ধার করা সম্ভব কিন্তু একবার চরিত্র নষ্ট হয়ে গেলে তা পুনরুদ্ধার করা খুবই মুশকিল হয়।
চলার পথে যতই বাধা-বিপদ লোভ-লালসা আসুক না কেন, চরিত্রকে কোনো সময় বদলানো উচিৎ নয়। চরিত্র আমাদের মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখায়। সুন্দর ও সৎ চরিত্র সব সময় সম্মান পাবার যোগ্যতা রাখে। তাই চরিত্রকে ধরে রাখার জন্য মিথ্যার পথ ছেড়ে সত্যের পথে চলতে হবে।