মহালয়ায় এবার আগমনী-সবকিছু ছাপিয়ে চোখ থাকুক শুধুমাত্র রূপসী বাংলার পর্দায়

‘১০ বছরের অভিনয় জীবনের সেরা স্বীকৃতি আগমনী’: মৌ বৈদ্য
মহালয়া মানেই বাঙলীর পুজো পুজো রব। বাচ্চা থেকে বড় এই দিনটির মাহাত্ম্য সকলের কাছেই বিশাল। আর মহালয়ার ভোর মানেই “অশ্বিনের শারদ প্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জরী…..”। চালু হতো রেডিও।তবে যুগের সাথে পাল্টায় সবই। তবুও ধারা এখনও অব্যাহত। তাই ভোর পাঁচটায় প্রতিটা বাড়িতে বেজে ওঠে রেডিও। বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের পালা শেষে টিভির পর্দায় দেবী আসেন মহিষাসুর বধে। সেই মহিষাসুরমর্দিনীর ও নানারকম গল্প নিয়ে মহালয়ার দিন এবার নতুন রূপে রূপসী বাংলায় আসছে আগমনী। দুর্গার নাম ভূমিকায় জনপ্রিয় রুপালি পর্দার নায়িকা মৌ বৈদ্য। অমিতাভ পাঠকের পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় এবার নতুন আঙ্গিকে আসছে টিভির পর্দায় মহালয়ার অনুষ্ঠান। পরিচালকের বক্তব্য, ‘শুধুমাত্র আমাদের এ অনুষ্ঠানে মা দুর্গা অসুরকেই বধ করবেন না, থাকছে আদ্যাশক্তি মহামায়ার আরো দুটো রূপ, সতী ও পার্বতী।’ বহু সিনেমায় মৌ বৈদ্যকে যে চরিত্রে দেখা গেছে তার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে এবার তিনি। মৌ জানালেন, ১০ বছর ধরে আমি চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু মা দুর্গার ভূমিকায় এই প্রথম। সেজন্য আমি উচ্ছ্বসিত, ১০ বছরের অভিনয় জীবনের সেরা স্বীকৃতি এই আগমনী এজন্য অমিতাভদা কে অজস্র ধন্যবাদ। আমাকে উনি দুর্গার চরিত্রে কাস্ট করেছেন, এবং আমার প্রতি বিশ্বাস রেখেছেন। বিশ্বাস করুন এ আমার পরম প্রাপ্তি। কি করে এল সুযোগ? মৌ জানালেন, ‘একদিন সকালে অমিতাভদা আমায় ফোন করে বলল, মৌ এবার মহালয়া করব ভাবছি আর তোমাকে দুর্গা হতে হবে। আমি যথেষ্টই উচ্ছ্বাসিত হয়েছিলাম কিন্তু আমাকে কি দুর্গা মানাবে? সে নিয়ে যথেষ্ট টেনশনে ছিলাম । কিন্তু ইতিমধ্যে আমাদের আগমনীর প্রোমো রিলিজ হওয়ার সাথে সাথে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, আশা করছি মা দুর্গার চরিত্রে মৌ কে মানুষ সমর্থন করবে।
আগমনীর এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার শান্তনু জানালেন, দিনরাত এক করে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে চলছে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ। পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না যে কারণে আমরা আশাবাদী। আশা করছি মানুষের মন ছুঁয়ে যাবে আগমনী। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সাহেব চক্রবর্তী, কন্ঠে স্বাগতা সাহা, নৃত্য নির্দেশনায় রাকেশ পান্ডে ও পায়েল রায়। সম্পাদনায় সুবীর মন্ডল, চিত্রগ্রহণ বিশ্বনাথ বর্মন, গ্রাফিক্স ইন্দ্রনীল ঘোষ।
তাহলে রূপসী বাংলায় ভোর পাঁচটায় আপনিও চোখ রাখুন নতুন রূপে মহালয়ার অনুষ্ঠান দেখার জন্য।