মৃত্যুকে ওরা তাম্বুল ভেবে চিবিয়েছে দেখ দাঁতের পেষণে, রক্তে দিয়েছে অঞ্জলি,
বুলেটে ঝাঁঝরা বুকের পাঁজর, আপনজনের অস্থি ভেসেছে জলে,
লাশের পাহাড়, ডিঙিয়ে চলেছে, আগুন গিলেছে, তবু আলগা করেনি মুঠো,
ও মুঠোতে ধরা মায়ের কলজে, পরনের শাড়ি, আমার পতাকা, তোমার পতাকা ৷
স্বাধীনতা তুমি দিয়েছ অনেক, নিয়েছ প্রাণের দাম, রক্তের স্বাদে মিশে আছে, তোমার পেয়গাম,
এতকাল পর শান্ত শহরে, তবুও নগ্ন মায়ের চরণ, শুকনো বুক, মলিন মুখ৷
স্বাধীনতা আজ কী বেশে এসেছে ! এই কি ছিল চাওয়ার পাওয়ার !
শুধু পন্ডশ্রম, মৃত্যু মিছিল, শহীদের লাশ, রক্ত গঙ্গা !
অত্যাচারীর এক মুখ আজ শতমুখ হয়ে ত্রাস ছড়ায়,
শোষণ এখন অন্তর্গত, ভাইয়ের লাশে ভাইয়ের জয় ৷
এ কাঁধে আজ, জমেছে যে ঋণ, শুধতে হবে তা আজন্মকাল
এ ঋণের ভার শুধব কীভাবে ! ঋণেতে ঋণী হয়ে কন্ঠ সমান,
এ লজ্জা ভারি ! দায় তো সবারই, পাওনা আমার শুধু ধিক্কার৷