সম্পাদকীয়

তোমাকে পাওয়ার আশায়
কোনদিনও নিজেকে ক্ষত বিক্ষত করিনি
গোলাপের গোছা নিয়ে সামনে দাঁড়ায়নি
আগুনের ওপর দিয়ে হাঁটিনি
বুক চিরে হৃদয়টা দেখাইনি
প্রদীপের শিখার উপর হাত রাখিনি
আকাশের চাঁদ তারা তোমায় দেব, তাও বলিনি
আমার অস্তিত্ব প্রমান করার জন্য আর আমি –
তোমার দরজায় প্রতিদিন টোকা দেবো না,
তোমাকে ফুল পৌছে দেবো না প্রতিদিন ভোরে,
ভিড়ের মধ্যে তোমায় দেখে হাত নাড়ব না ৷
যদি আমি কোন দিন তোমার অ-সুখের ভাগ নিয়ে থাকি ,
তোমার ব্যথার চারপাশে বুলিয়ে দিয়ে থাকি শীতল আবেশ ,
আমার আলিঙ্গন যদি কখনও তোমায় দিয়ে থাকে স্বর্গীয় আশ্রয়,
তোমাকে ঘিরে আমার দুশ্চিন্তা যদি কখনো অনুভব করে থাকো ,
তোমাকে ভালো রাখার অঙ্গীকার,
তোমার অসহিষ্ণুতা,তোমার উষ্মাকে আপন করে নেওয়ার অঙ্গীকার, যদি তোমার স্মরণে থেকে থাকে –
তবে অস্বীকার করতে চেয়েও –
আমার অস্তিত্ব তোমাকে বিস্মরণের পথে হাঁটতে দেবে না ৷
বিস্মৃত হতে পারবেনা সেই দিনগুলো
যে দিনগুলোয় তুমি জ্বরে কেঁপে উঠেছ,
কিংবা ব্যথায় কুঁকড়ে গেছো ,
আমার উদ্বেগ ঘন হয়েছে ,
দূরে থেকেও ,ভগবানের কাছে চেয়ে নিয়েছি তোমার আরোগ্য ৷
ভুলে যেতে পারবে তো সেই দিনগুলো
যখন দুহাতে আড়াল করতে চেয়েছি তোমার সব বিপদ !
মনে পড়বেই কোন এক দিন
হয়ত সেইদিন তুমি সাড়া দেবে
আমিও দেবো সাড়া ৷
আজ থেকে নিজের অস্তিত্ব জাহির করতে আর আমি –
তোমার দরজায় কড়া নাড়ব না প্রতিদিন ৷