কবিতায় স্বর্ণযুগে প্রভাত রঞ্জন ভট্টাচার্য্য

ভূত নিমিত্ত

লম্ফ দিয়েই কম্পমান
মানুষরূপী এক জাম্বুবান,
ভূত নাকি দৃশ্যমান
পেয়েছে নাকি তার প্রমাণ।
হেইয়া তার বুকের ছাতি
সবাই বলে বাচ্চা হাতি,
ভূতে নাকি মারে লাথি
অনিদ্রায় তাই কাটে রাতি।
দিনমানে করে হম্বিতম্বি
রাত হলেই হয় বেরঙ্গী,
বদলে যায় তার অঙ্গভঙ্গী
ভূত নাকি হয় শয্যাসঙ্গী।
বজরংবলীর পুজো করে
হোম-যজ্ঞে অর্থ পোড়ে,
তবুও ভূত ছাড়ে না ওরে
প্রাণটা নাকি যাবে অঘোরে।
আসলে এক ভন্ড বাবা,
মনমাঝে বসিয়েছে থাবা।
বলিষ্ঠ শরীর, দুর্বল চিত্ত,
কুসংস্কার মূল, ভূত নিমিত্ত।
মন যদি না থাকে বশে,
মানসিক দুর্বলতা পেয়ে বসে।
ভূত পেত্নী গ্রহ নক্ষত্র,
নেতিবাচকতার প্রভাব সর্বত্র।
তাই বলি ওরে মন,
হক কথা বলি শোন।
বাস্তবতার পথে চল,
অবাস্তবতার পথ ভোল।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।