T3 || বাণী অর্চনা || বিশেষ সংখ্যায় ড. পারমিতা মুখার্জি মল্লিক

পৃথিবী যখন এক টেবিলে
আমি অবাক হয়ে দেখি চারিদিকে
কই কোনো দেওয়াল তো নেই।
সব দিকে,সব চেয়ারেই তো বন্ধু।
বাঁদিকে বাংলাদেশের রেজওয়ান,
ভারী সুন্দর সিনেমা বানিয়েছে এত অল্প বয়সে।
আবার পাঞ্জাবের জাসলিনকে মনে হয় যেন খুব নিজের।
ডানদিকে লেইলা আমার দেখাদেখি টিপ পরেছে,
ইরানের এই মেয়েটিকে যে কি সুন্দর দেখাচ্ছে!
উল্টো দিকে মুম্বাইয়ের সিফরা।
আমরা এক শহরে থেকেও, এইখানে এসে পরিচয়।
শিপা দিদিকে দু দিনের আলাপেই বড় আপন মনে হয়।
বলেছি বাংলাদেশ গেলে অবশ্যই দেখা করবো।
কলকাতার শুভজিৎ হোটেল চালায়,
বাঙালি খাবার আর কলকাতার রাস্তা মুখস্থ।
টেবিলের একেবারে ডান কোণে বসেছে শ্রীলঙ্কার থেকে চারজন।
আবার বাঁ কোণে বসেছে ইন্দোনেশিয়ার পন্ত ও তার সাথীরা।
অদ্ভুত সুন্দর একইরকম জামাকাপড় পরেছে ওরা।
ফুল আর পাতার নির্যাস থেকে রং করা ।
একটা চেয়ারে চুপচাপ বসে খাচ্ছে জোসেফ।
ও এসেছে মিজোরাম থেকে।
সব্যসাচী বসে সকলের খাওয়াদাওয়া দেখছে।
কই কোনো দেওয়াল তো নেই।
সব দিকে, সব চেয়ারেই তো বন্ধু।
পৃথিবী আজ এক টেবিলে।