আন্তর্জাতিক || পাক্ষিক পত্রপুট || এ প্রদীপ গুপ্ত

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির একুশে বাংলা মায়ের দামালেরা বাতাসে ঝড় তুলে নুইয়ে দিয়েছিল পাহাড়ের মাথা। বাতাসে শিষ তুলে ছুটে যাওয়া বুলেটকে মালা করে পড়ে নিয়েছিলো গলায়, বুকে। একে ভালোবাসা বলে। একেই বলে প্রেম। মুখের ভাষাকে, মায়ের ভাষাকে ভালোবেসে যারা আহুতি দিতে পারে তাদের জীবন তারাই প্রকৃত ভ্যালেন্টাইন। আর তাদের উদ্দ্যেশে আমার ভালোবাসার সওগাত।
– “আদর করি তোদের”
কি আগুন জ্বালিয়েছিলি ফাগুন বেলায় !
পলাশ – শিমূল লজ্জা পেয়ে মুখ লুকোলো,
সারা আকাশ সে আগুনে রঙ ধরিয়ে
দুনিয়া জুড়ে সে ভালবাসার বার্তা দিল।
ভাষার জন্য কেই বা কবে প্রান দিয়েছে ?
এমন অবাক কান্ডখানা কে যে করায় !
পদ্মার যতো পানি এসে ওই সাগরে মেশে
লালে লাল লাল রক্তগোলাপ বাংলা ঝড়ায়।
“সালাম” তোমায় সালাম জানায় ভাই বরকত
তোমরা আমার বুকের ভেতর দহন জ্বালা
রফিক -মুনির – গফফার আর মামুদ চাচা
সবাই পরালে বাংলা মাকে বিজয়মালা।
দুনিয়া আজো অবাক চোখে তাকিয়ে দ্যাখে
আপন মনে প্রনাম জানায় শহিদ বেদী,
ভাষাই আনে স্বাধীনতা ওই মহান দেশে
“বাংলা ” তোমায় আদর করি পাঁজরা ভেদী।