সাপ্তাহিক ধারাবাহিক কথা সাগরে প্রদীপ গুপ্ত (পর্ব – ৪২)

সুন্দরী মাকড়সা
— এক্সকিউজ মি মিস —
— রাহা, অফিসার, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট।
— ইয়েস মিস রাহা, ইফ ইউ ডোন্ট মাইন্ড এনিথিং, আমরা মনে হয় একই উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি। ইস ইন্ট ইট?
— অবভিয়াসলি ইয়েস।
— সো প্লিজ আমার কাছে আপনার মিছিমিছি কোনো অফিসার টফিসার সেজে লাভ নেই। আপনার কথাবার্তার ভেতরকার অসঙ্গতি আপনার মিথ্যা পরিচয়কে টানতে পারছে না। হোয়াটএভার ইট মে, আপনার বন্ধু কি বাঁশদ্রোনি থানায় গেছেন? আই মিন ডাইরি বা এফ আই আর করতে?
স্নেহার নিজের মাথার চুল নিজেরই ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে। কিন্তু ভুল যতই করুক না কেন ওকেই ফের নিজের জায়গায় নিজেকে এনে দাঁড় করাতে হবে। ভদ্রলোকের কথার সোজাসুজি উত্তর না দিয়ে স্নেহা একটু তেড়ছা ভাবেই উত্তর দিলো।
— হোয়াট ডু ইউ মিন? আই থিংক ইউ আর টকিং বোগাস।
— দেখুন আপনার নিশ্চয়ই মনে নেই কথা বলতে বলতে আপনি বলে ফেলেছেন যে আপনারা দুজন বন্ধু আর একই অফিসের কলিগ।
— সো?
— প্লিজ মিস রাহা, এখন হাতে খুব একটা সময় নেই, এখন এইসব নিয়ে কথা না বলে আমাদের কাজটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত। আমি কি খুব ভুল বললাম?
স্নেহা মাথা নীচু করে হাঁটা শুরু করলো। আর বেশী কিছু বলে ফের বোকামো করার থেকে চুপ করে থাকা ভালো।
— আপনি প্লিজ আপনার বন্ধুকে একবার জিজ্ঞাসা করুন যে ওখানে কী হচ্ছে? থানা থেকে কি কাউকে পাঠানো হচ্ছে কিনা? না কি আমরা গেলে তবে —
— যাস্ট আ মিনিট, ওকে কল করে জেনে নিচ্ছি।
স্নেহা হাতে ধরে রাখা ফোনটাকে ফের ডায়াল করতে যেতেই ভদ্রলোক বলে উঠলেন –
— ওইতো, সম্ভবত ওরা আসছেন। সামনের টাটা সুমোটাই প্রবাবলি বাঁশদ্রোনি থানার ভেহিকাল।
স্নেহা দাঁড়িয়ে পড়ে ডান হাতটাকে গাড়িটার উদ্দেশ্যে তুলে ধরলো।
ওদের কাছাকাছি এসে ঋষি গাড়ির দরজাটাকে খুলে ধরলো —
— চলে আয়, উঠে পড় তাড়াতাড়ি।
ক্রমশ