মূহুর্তের কাছে হাত পেতে কিছু চাইলে আমি বলতেই পারি, এই টাবাকুসুম হৈচৈ সব ঐ মুখোশ পর্যন্তই বিস্তৃত। আজ দোটানা সইতে পেরে গেলেই আর কোনো দিন একার টান থাকবে না। এই এত দিন, মাস, সপ্তাহের ডাক শেয়াল, এদের শেয়ারিং শেষ হয় না সেবার পরেও। এক তিল বাঁচতে গিয়ে ঘুসিমের মতো যে ভুসিমাল লড়াই এর চেয়ে বড় সাহিত্য আর কোথায়!
মুখোশন্ত ভাবছে যারা তারা জানলই না আসলে মুখোশই সন্ত। দিন আসে, দিন কাটে, রক্ত শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত আমাদের চাল চাল বিজ্ঞাপন। মানতে না পারলেও এটাই সাহিত্য। কাব্যি কথায় বললে—
“আমরা কেবল মৃত্যুর জন্যই জন্মের বিজ্ঞাপন দিই। “
এই অযথা নীহার, এই অপাঠ্য কুপাঠ্যে ঠাসা স্বয়ংসিদ্ধ রি-বর্তন, যেভাবে গেলানো হচ্ছে গলগল এত গিলেও কেউ বুঝলোই আমি একা একটা স্বয়ংসিদ্ধ ধারা। অহেতুক পুল ভাঙাচোরা, খোঁড়ার ইতিহাসে সেই কবের থেকে লাথি মেরে চলেছি, নীহার আগলে শাহিভৃত্যের মোটিভেশনাল বক্তা তর্পণ করার জন্য।
এই তাবৎ প্রাণীকুল, সকলে প্রাণীকুলের মাতৃশ্রেণী, জননে অক্ষর লিখে চলেছে ভুট্টা বিসর্জন দিয়ে। তোমরা বুঝতেই পারলে না এক থেকে দুই হওয়ার ইত্যাদিতে না জড়িয়ে একা একটা নীহার হাঁটছিল। সেটা না বুঝেই এত যে হারিয়ে যাওয়ার পিছন শুঁখছিলে, হারাতে পারলে কই?
ফিরতি পথের প্রশ্ন গুলো এরকমই হয় কিছুটা। অর্ধেক নোনা জলে জাম সেজানোর যে মজা লুটতে যে বর্ধক বৈষম্য তার ঝাঁক বোলতায় জিজ্ঞেস রাখেনি নীহার নীতি। শুধু আজীব্য লেখার তাগিদে একটা সময় ফিরল একাকী আবারও এটাই কি আসল ছবি নয়!
কাব্য খুঁজতে গিয়ে যে যার পছন্দের কোটরে আটকে জীবনানন্দ খুঁজেছে। এই সব তেহট্টের জন্য নীহার একটা ছবি এঁকেছে শুধু। যার ভাষায় ভাসতেও নিয়ম ভাঙতে বাধ্য হতে হয়—
“মুখোশ ভাল, মুখোশ স্বস্তির, কিন্তু সমস্যা হল মুখোশ কেবল সম্ভাবনা পর্যন্তই বিস্তৃত হতে পারে, তার একটু বেশিও না তার একটু কমও না।”