এতদ্ মধ্যে ক্ষণিক লাবণ্য হারিয়ে ফেলেছে যে যার ঈশ্বরত্ব। শিল্পিত চাউমিন যতদ্রুত ঘ্রাণক্ষম তদুপলক্ষে নেহাত ধীর নয়।শ্রাবণ ফাটে যে দৃশ্যহীনতায়, সেই গাঁটতর্পণ আরকি। হিজল যে পাতা মিলতে পারলো না নিদ্রাহীনতায়, চড়ুই যে ছাদে মাথা কুটেকুটে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে,শরীর যে ইঁদারার মাটি খুঁজতে গিয়ে হাজারটা পর্বত সমাধিস্থ করে দিয়েছে, তার কাঠমান্ডু হদিস করতে হুটকো বৃশ্চিক পূজারী হতে হয়। ইশারা উত্তল অবতল অবধি, আর স্থবিরতা গুনে লেপ্টা সড়কে কার্বন খুঁজে কী লাভ? অতঃপর কালশিটে কবি স্বভাবের কলম কে? এই প্রশ্ন তাড়িত বিস্ময় থেকে, এই হাড়গলানো অ্যাজমা থেকে, এই রাজস্থানি প্রহরী চোখ হতে মুক্ত হতে,আর লিখবে না বলেও একপ্রস্ত কলম চালিয়েই নিল কবি।এটাই শেষ বলে লিখে ফেললো আর কয়েকটা লাইন–
“নিষেধ একটি গাছ
এবং
তা হতে ঝরে পড়ে
কেবল শীতার্ত পাতাগুলি”