সাপ্তাহিক ধারাবাহিকা -তে পলাশ চৌধুরী (শেষ পর্ব)

স্টেজের পাশেই স্বয়ংসিদ্ধা

পর্ব – ২৫

এ-বহু পার্থক্যজজনীত মেঘ সরে সরে রেডিমেড জলীয় হাওয়া গেলাসে ঢের, মেঘ চাঁদের দৃষ্টান্তবিহীন নেশা,
গলে যাবে বলে লাল নালা ব্লেডে দীনবেশ, টলমলানো হাঁটাহাঁকি মৃগয়া শরণ, প্যাড প্যাক করে আহত হিমলেট, নম্বর দেওয়া নিষেধ বলে
সকালকে রোজ দৈন্যতা দেওয়া।
গল্প তার নরমেধ ছুঁয়েছে, যতনে নরম
পাঁশুটে প্রেমিক গোলাপি প্রেমিকার আতাগাছ বাড়িয়ে তুলছে কেয়ারের
গ্রাউন্ডফ্লোরের ঘাসে ঘাসে নষ্টবীজ
গল্প তরুণী ছুঁয়ে ছুঁয়ে নারকেলি তোষক বানায়। মায়ানমারের মেয়েটি অপেক্ষায়।
এতদ্ মধ্যে ক্ষণিক লাবণ্য হারিয়ে ফেলেছে যে যার ঈশ্বরত্ব। শিল্পিত চাউমিন যতদ্রুত ঘ্রাণক্ষম তদুপলক্ষে নেহাত ধীর নয়।শ্রাবণ ফাটে যে দৃশ্যহীনতায়, সেই গাঁটতর্পণ আরকি। হিজল যে পাতা মিলতে পারলো না নিদ্রাহীনতায়, চড়ুই যে ছাদে মাথা কুটেকুটে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে,শরীর যে ইঁদারার মাটি খুঁজতে গিয়ে হাজারটা পর্বত সমাধিস্থ করে দিয়েছে, তার কাঠমান্ডু হদিস করতে হুটকো বৃশ্চিক পূজারী হতে হয়। ইশারা উত্তল অবতল অবধি, আর স্থবিরতা গুনে লেপ্টা সড়কে কার্বন খুঁজে কী লাভ? অতঃপর কালশিটে কবি স্বভাবের কলম কে? এই প্রশ্ন তাড়িত বিস্ময় থেকে, এই হাড়গলানো অ্যাজমা থেকে, এই রাজস্থানি প্রহরী চোখ হতে মুক্ত হতে,আর লিখবে না বলেও একপ্রস্ত কলম চালিয়েই নিল কবি।এটাই শেষ বলে লিখে ফেললো আর কয়েকটা লাইন–
“নিষেধ একটি গাছ
এবং
তা হতে ঝরে পড়ে
কেবল শীতার্ত পাতাগুলি”

সমাপ্ত

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।