সাপ্তাহিক ধারাবাহিক কথা সাগরে পিয়াংকী (পর্ব – ৩০)

স্টেশন থেকে সরাসরি 

৪ ঠা এপ্রিল ২০২২
১৮ ই চৈত্র ১৪২৮
সোমবার

একটা স্টেশন, হাজার জন মানুষ। বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, কারোর গায়ে অর্ধেক সূর্য কারোর গায়ে পূর্ণ চাঁদ। ঠিক যেভাবে একটি রঙের কৌটো উপুড় করে দিলে রামধনু হয়ে যায় ছেলেটা, যেভাবে রোদ্দুর ছুঁড়ে দিলে যুবতী হয়ে ওঠে কিশোরী, অন্তত সেভাবে রাত শেষ হয়ে ঠিক প্রাক্ ভোর মুহূর্তে আমি ঘুম হতে চাই। ঘুম…একটা দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম যার শরীরে যতিচিহ্ন বসানো বারণ যার পাশে বিরতি শব্দটি নিষ্ক্রিয় অঙ্গের মতো অতিরিক্ত। ঘুমের পাশে ঘরবাড়ি আছে স্বপ্ন আছে বিছানা আছে আর আছে চাহিদা। এসব একদিন বিসর্গ হয়ে যাবে অথবা স্বরবর্ণ ৯-এর মতো উপার্জনহীন বয়স্ক। তবু…

এতসব জেনেও নক্ষত্র আঁকি, গ্রহ সাজাই, সৌরজগত প্রতিস্থাপন করি। এটুকু শোনার পর খুব স্বাভাবিকভাবেই পাঠকের মনে প্রশ্ন জাগে কোথায়। কোথায় আছে এত বড় মহাকাশ কোন জায়গা থেকে সংগৃহীত হয় মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।

প্রশ্নপত্র জুঁইফুলে সাদা। এবার আরাধ্যার সম্মুখীন হতে হবে, তরল আর জলের মাঝের সূক্ষ্মতম পার্থক্য বুঝে নিতে ঢলে পড়তে হবে চোখের কোলে। তারপরও কি গাছ জন্মাবে?নতুন কাগজের গন্ধ শুঁকতে আসবে দু’চারটে বোবা অক্ষর?

জানি না। খবর পাই, কে যেন আড়াল থেকে ডাকে ফিসফিস করে, শব্দ হয়। তীব্র নয় জোরালো। ফুরিয়ে যাবার আগে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে ধুলোবালি হবার আগে নিভে যাবার আগে একবারের জন্য জোনাকি হতে হবে হতেই হবে…

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।