ভ্রু-র উপর দিয়ে চলে গ্যাছে অবসাদকাল
এ প্রেমের থেকে অগুন্তি নক্ষত্র ঝরা,
অস্ত্র লুকিয়ে সেই শমীবৃক্ষ জাতক
(প্রেমের চেয়ে প্রিয় নরম আঙুল)
অজ্ঞাতবাস ভালো যতক্ষণ না
সুখস্বপ্নহীন সুষুপ্তি পর্ব আসে।
বিচ্ছেদে জড়িয়েছ যাকে
তার কথা এতকাল বনবীথি বলেছে,
শরীর যতই করুক আগুনের ঘর
একদিন ভেঙে দিয়ে চলে যাবে
বাসররাতে নিশ্চিন্তে ঢুকবে অভিশাপ
ব্লিজার্ড, মত্ত হাওয়া— ভেঙে দেবে আগুনের ঘর!
যখনই দোতারা বাজে
ফুল ছিঁড়ে, তন্তু ছিঁড়ে, খোলসের ডাক
দেহ বস্ত্রমাত্র— আরও ভিতরে
কোশ শেষে জীবন্ত প্রাণভোমরায়
মুখ রেখে শুষে নেয় ত্রৈমাসিক মধু
এবং জীবাত্মার গমন মধুময় হোক।
অশীতিপর বাকল-রোগ,
যে ছিল অভিসার, আনন্দরূপ,
নয়নরঞ্জন–
যুদ্ধে স্থির, অখন্ড বিরহীর মতো
নত হতে জানত না, কীভাবে কমল দেবে পায়ে?
এটুকু ত্রুটি কি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ?