কবিতায় নীল নক্ষত্র

বন্দিনী কমলা
বছর কুড়ি আগে
তিস্তা পারে ,খোয়াই নদীর ধারে
কিংবা কোন এক নদীর উৎসমুখে
তার সাথে দেখা হতো যদি …..
দেখা হতো যদি
প্রথম সূর্যের আলোয়,
ভরদুপুরে কিংবা
কোন এক রাত্রি নিশীথে…..
দেখা হতো যদি
বৈশাখে , শরতের কাশবনে
কিংবা কোন এক বসন্তের
ছায়া গায়ে মেখে
সূর্যাস্তের শেষক্ষণে ……
তখন …..
কুড়ি বছরের পরে
আজ এই দিনে তিস্তার স্রোত
ছুঁয়ে যেত আমাকে,
পলাশের রঙে
রঙিন হয়ে উঠতো
আমার আকাশ…..
শ্রাবণের বারিধারায়
কোন এক বর্ষামুখর রাতে,
অনেক বেশি সজল হয়ে উঠতো
আমার এই চেনা পৃথিবী
অন্য কোন নামে……
তখন এই শেষ বিকেলে
আমাকে আর………….
“বন্দিনী কমলা”-র
চিত্রনাট্য লিখতে হতো না।।