গদ্য কবিতায় নবকুমার মাইতি

পরম্পরা
যারা অর্বাচীন ফুল ছিঁড়ে সৌরভ ছড়ায়
ফুল আর মৃত্যুকে আলাদা করে দেখে
আসলে ফুলের পাশেইতো দাঁড়িয়ে থাকে শব
আমার পাশে তুমি, তোমার পাশে আমি
মার পাশে দিদিমা, নাতির কাছে ঠাকুমা
জোয়ারে স্রোতস্বিনী হয় নদী, আকাশ গঙ্গায়
কুলু কুলু বয়ে যায় মোহনার দিকে…
পরম্পরা চলতেই থাকে কালের নিয়মে
মননঋদ্ধ পথে এগিয়ে চলাই আমাদের ধর্ম
যে কোনো অনুষঙ্গ ধরে জীবন-জীবিকার পথে
একটু থেমে যেতে হয় কখনো সখনো
তাই বলে স্থবিরত্ব নয়, আমৃত্যু সাজাপ্রাপ্ত
কয়েদিও মুক্তির আনন্দ খোঁজে, সুনীল আকাশ
কেউবা ফেরে মূল স্রোতে, কেউ হারিয়ে যায় নিঃসীম অন্ধকারে
বিধাতার বিশ্ববিধান, অলিখিত সনদ
প্রেমেও দহন থাকে, থাকে কলঙ্কের কাঁটা
স্রোতস্বিনী সময়ের উল্টোপথে ধাবমান অবতল
সম্পর্কের টান, শরীরের রেখাচিহ্ন
তথাপি জানালার পাখি থেকে মানুষ খোঁজে
এক ফালি চাঁদ, আলোক উজ্জ্বল পরমায়ু।