গল্পবাজে নিমাই জানা

রুদ্রকাল অথবা বিশল্যকরণী ছায়া
রুদ্র কালের ছায়া ভেঙ্গে ভেঙ্গে নৃত্যরতা নেমে আসেন তিনি হাতে থাকা ত্রিভুজ শলাকা অথবা শ্বাপদ সঙ্গিনীর পিঠে রক্তিম আভাময় এই ঘোটকী সম্প্রদান, ব্রাহ্মণীর পরিচ্ছেদ
এখন ত্রিভুজাকৃতি অন্ধকারে কৌশিকী প্রদীপ জ্বেলে আবির্ভূতা হন নগ্ন শরীরে , ধ্বংস করেন সব অধর্মের কঙ্কালসার চারাগাছ
ভৈরব সব তিলোত্তমা ব্রহ্মা মূর্তিটির নিচে শুয়ে থাকেন সুপুরুষ হয়ে, দ্বাদশ মহাজনের অস্থিসন্ধি থেকে সব প্রজাপতি উড়িয়ে দেন বৈষ্ণবী নক্ষত্রের দিকে
এখন গভীর রাত্রির কাছে হাঁটু মুড়ে বসে বর্ষাঋতুর আগমন বার্তা শুনে নেয় মৃন্ময়ীর আলোকিত মন্দির
চতুর্দিকে গজিয়ে ওঠে ধর্মক্ষেত্র কুরুক্ষেত্রের মাঠ
এই তৃণভূমিতে ব্রততী দুর্বাফুলের লালাভ মুখ দিয়ে আবির্ভূতা হন মন্থকূপের বৈশালী নারী
কৃত্তিকা নক্ষত্রের পাশে রডোডেনড্রন চাষ চিরহরিৎ , মায়া মূর্তিতে রেখে আসি ত্রিনয়নী জবা ও রক্তিম আসক্তির মহাসাগর,
সিন্ধু নদের তীরে ৫১ পিঠের দ্রাঘিমাংশ নক্ষত্রেরা ভৈরবী নৃত্য করছে নিজের ছায়া ফেলে
অসংখ্য নরমুণ্ডের ওপর দ্বাদশ মহাজনপদের ছায়া
হেঁটে যাচ্ছি ঐ দ্রাঘিমা নক্ষত্রের দিকে চোখে এক সমুদ্রের প্রশান্ত হাতের বিষধর শিঙা
সাপেরা ঠান্ডা দেহজ ঘরে আবার তিনি পর্ণমোচী হলেন বিশল্যকরণী গজিয়ে উঠছে ঈশ্বর সৃষ্টিতত্ত্বে
চতুর্ভুজের প্রান্তদেশে বিস্তীর্ণ ভূভাগ ও লাল জবা
সৃষ্টির আগ্নেয় আভা নিয়ে হাঁটছে মন্দার পর্বত