প্রথম যৌবন বুনোহাঁসের ঠোঁটে খানিক ঘোলাজল হয়ে ঝুলে রইল
তাতে কী, বাদামি পাহাড়ের মনস্তত্ত্বে ঝলকে ঝলকে
গজিয়ে উঠছে আলগা, একাকী ঘোড়দৌড়ের খুব কাছে
গজিয়ে উঠছে বিচ্ছুরণ
সেলাই-কারখানার গঠনতন্ত্রটিকে দেখো
মৃদু অপরাহ্ণের নাগরদোলায় কেমন
পলকে পলকে চুমুক দেয়,
ওদিকে সুগভীর রসকলি হয়ে মহুয়াতিথির পাললিকে
গজিয়ে উঠেছে রাখিবন্ধন
এ যে সেই সদ্য ঘুমভাঙা রেলটিকিট নিয়ে
সমুদ্রগামী মরুভূমির পিঠে চেপে বসা
ঝুলবারান্দা এবং কারাগার তোমরা হেসো না
হেসো না হেসো না তুমি আঁশটে তপস্যা
এই যে সকালে উঠে ধানমাঠে যাই
মহিষের চলন দেখে ভাবতে থাকি
রাজরানীকে মহিষী বলা হয় কেন
সেও তো জিজ্ঞাসা-চিহ্নের মালা পরা সীবনশিল্পের বনভোজন
উন্মনা শরবন, এই নাও ফেরৎ দিচ্ছি তোমার হলুদ নূপুর
এবার উথলে ওঠো, গুঁড়োমশলায় কবজি-ডুবিয়ে
শিরিশের বিবাহযোগ্য ছুঁয়ে বাদামের বয়ে-যাওয়াটিকে
তুমি আরো বেশি পাড়াতুতো করো